Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: এশিয়া কাপে প্রতি ম্যাচেই ব্যাটে ও বলে ভারতের জয়ের কান্ডারী হয়ে উঠছেন দু’জন। অভিষেক শর্মা ব্যাট হাতে বিপক্ষ বোলারদের উপর তাণ্ডব চালাচ্ছেন(Ind VS Ban Asia Cup)। আর বল হাতে আঙুলের ভেল্কিতে বিপক্ষ ব্যাটারদের নাস্তানাবুদ করছেন কুলদীপ যাদব। বুধবার এশিয়া কাপের সুপার ফোরের ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও নায়ক দু’জনেই। আর তাতেই তিন বল বাকি থাকতে ৪১ রানে জয় তুলে নিয়ে অপরাজেয় থেকেই প্রথম দল হিসেবে চলতি এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেল ভারত।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাপট ভারতের (Ind VS Ban Asia Cup)
বুধবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাপটের সঙ্গে জিতলেও ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মিডিল অর্ডার এবং লোয়ার মিডিল অর্ডারের ব্যর্থতা ফাইনালের আগে কোচ গৌতমকে আরও ‘গম্ভীর’ করে দিল, তাতে কোনও সন্দেহ নেই(Ind VS Ban Asia Cup)। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গত ম্যাচে ৭৪ এবং বুধবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৭৫ রান করে জেতালেন অভিষেক।
এদিনও তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিলেন অপর ওপেনার শুভমন গিল। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়া ছাড়া এদিনও ভারতের মিডিল অর্ডার এবং লোয়ার মিডিল অর্ডার সম্পূর্ণ ব্যর্থ। এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিষেক ও গিল যেভাবে শুরু করেছিলেন, তাতে আরামসে ২০০-এর বেশি রান স্কোরবোর্ডে যোগ করতেই পারতো ভারত। সেখানে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৮ রানেই থামল ভারতের ইনিংস।
টসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে দেয়(Ind VS Ban Asia Cup)
টসে জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক জাকের আলি(Ind VS Ban Asia Cup)। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেনি অভিষেক। গত পাকিস্তান ম্যাচে যেখানে শেষ করেছিলেন এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও সেখান থেকেই শুরু করলেন অভিষেক। তবে প্রথম ৩ ওভার একটু বুঝেই খেললেন দুই ওপেনার অভিষেক ও গিল।
তাই প্রথম তিন ওভারে উঠল মাত্র ১৭ রান। তারপরই ব্যাটিং তাণ্ডব শুরু করলেন ভারতের বিস্ময় ব্যাটার। অভিষেক-গিলের তান্ডবে পরের তিন ওভারে ভারত তুলল ৫৫ রান। প্রথম ছয় ওভারের পাওয়ার প্লে-তেই কোনও উইকেট না হারিয়ে ভারত তুলে ফেলে ৭২ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাওয়ার প্লে-তে ভারত করেছিল ৬৯ রান। যে গতিতে তখন ভারত ব্যাট করছিল তাতে মনে হচ্ছিল দু’শোর গণ্ডি টপকে যাবে।
শুভমন গিলের ধীরে ব্যাটিং (Ind VS Ban Asia Cup)
পাকিস্তান ম্যাচে শুভমন গিল (Shubman Gill) ঝোরো ব্যাটিং করলেও এদিন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একটু ধীরেই ব্যাট চালাচ্ছিলেন(Ind VS Ban Asia Cup)। পাওয়ার প্লে-র পরের ওভারেই ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগে গিলকে ফিরিয়ে দেন রিশাদ হোসেন। ওভার বাউন্ডারি মারতে গেলে ব্যাটের একদম নিচে লেগে বল অনেকটা উপরে উঠে যায়। লং অফের বাউন্ডারিতে তাঁর ক্যাচ ধরেন তানজিম হাসান। ১৯ বলে জোড়া বাউন্ডারি ও এক ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২৯ রান করে ফেরেন গিল।
ভারতের রান তখন ৬.২ ওভারে ৭৭। এরপরই সকলকে চমকে দিয়ে সূর্যকুমার যাদবের জায়গায় তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামেন শিবম দুবে। কী ভেবে তাঁকে তিন নম্বরের নামানো হল, তা কেউ জানে না। এশিয়া কাপে খুব একটা ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাননি শিবম। তাই তুলনায় দুর্বল প্রতিপক্ষ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তাঁকে প্রমোশন দিয়েছিলেন গম্ভীর। কিন্তু সেই পরিকল্পনা দ্রুতই ভেস্তে গেল। শিবমও রান পেলেন না। উল্টে ঘেঁটে গেল ভারতের ব্যাটিং অর্ডার(Ind VS Ban Asia Cup)।
তাই নিজেদের পছন্দের জায়গায় ব্যাট করতে না পেরে দ্রুত আউট হয়ে ভারতের ২০০ রান করার সম্ভাবনা ফিকে করে দিলেন সূর্যকুমার যাদব, তিলক বর্মারা। নবম ওভারের প্রথম বলেই ৩ বলে ২ রান করা শিবমকে ফেরালেন সেই রিশাদ। তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে তৌহিদ হৃদয়ের হাতে তিনি যখন জমা পড়লেন তখন ভারতের রান ৮৩। ম্যাচে বাংলাদেশের সব থেকে সফল বোলার রিশাদই। ৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট(Ind VS Ban Asia Cup)।

আরও পড়ুন: Team India: ‘কেয়ার করি না’, রউফের ‘অভব্যতা’ নিয়ে মুখ খুললো ভারত
উইকেট গেলেও ঝোরো ব্যাটিং অভিষেকের(Ind VS Ban Asia Cup)
দ্রুত ২ উইকেট পড়ে গেলেও একদিকে বাংলাদেশের বোলারদের প্রহার অব্যাহত রেখেছিলেন অভিষেক। পাকিস্তান ম্যাচের পর বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও হাফ সেঞ্চুরি করলেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে করেছিলেন ২৩ বলে(Ind VS Ban Asia Cup)। আর এদিন করলেন ২৫ বলে। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু আবারও ভারতকে সবথেকে বড় ধাক্কাটা দিলেন সেই রিশাদই। তবে এবার বল হাতে নয়। দুরন্ত ফিল্ডিংয়ে বিধ্বংসী অভিষেককে রান আউট করলেন। পয়েন্টে খেলে সিঙ্গল নেওয়ার চেষ্টা করেন সূর্যকুমার।
কিন্তু দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে বল ধরে নেন রিশাদ। সেটা দেখে সূর্য আর এগোননি। অভিষেক ক্রিজে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন(Ind VS Ban Asia Cup)। কিন্তু একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল। তিনি ক্রিজে পৌঁছানোর আগেই বল ধরে উইকেট ভেঙ্গে দেন বোলার মুস্তাফিজুর রহমান। অবশেষে ৩৭ বলে হাফ ডজন বাউন্ডারি এবং পাঁচ ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৭৫ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ম্যাচের সেরা অভিষেক। তখন ১১.১ ওভারে ৩ উইকেটে ভারতের রান ১১২। আর তিনি আউট হতেই ভারতের রান ওঠার গতিতেও ব্রেক লেগে গেল।
সূর্যকুমারের ভুলেই রান আউট অভিষেক(Ind VS Ban Asia Cup)
সূর্যকুমারের ভুলেই রান আউট হতে হয় অভিষেককে(Ind VS Ban Asia Cup)। কিন্তু এদিনও ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক। সূর্যর (১১ বলে ৫ রান) ব্যাটিং ব্যর্থতাও গম্ভীরকে ফাইনালের আগে চিন্তায় রাখবে। ওই ওভারেই অভিষেককে ফিরিয়ে দেন মুস্তাফিজুর। লেগ সাইডের বল পুল করতে গেলে সূর্যর গ্লাভসে লেগে তা কিপার জাকের আলির হাতে জমা পড়ে।
আরও পড়ুন: Asia Cup: এশিয়া কাপে একে অপরের মিমিক্রি করে চর্চায় হাসারাঙ্গা-আবরার
থার্ড আম্পায়ার আউট নিশ্চিত করেন
প্রথমে ফিল্ড আম্পায়ার আউট না দিলেও বাংলাদেশ রিভিউ নিলে থার্ড আম্পায়ার ভারত অধিনায়কের প্যাভিলিয়নে ফেরা নিশ্চিত করেন(Ind VS Ban Asia Cup)। হঠাৎ করে মোমেন্টাম ফিরে পেয়ে বাংলাদেশের বোলারাও কিছুটা জাঁকিয়ে বসে ভারতের উপর। যেখানে প্রথম ছয় ওভারে ভারত তুলল ৭২ রান, ১০.১ ওভারে উঠল ১০০ রান, সেখানে শেষ দশ ওভারে ভারতের সংগ্রহ মাত্র ৬৮ রান। তার জন্য অবশ্যই তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, সইফ হাসান, মুস্তাফিজুর, রিশাদ হোসেনদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত ব্যাট
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুরন্ত ব্যাট করা তিলক বর্মাও এদিন ভরসা যোগাতে ব্যর্থ(Ind VS Ban Asia Cup)। ৭ বলে ৫ রান করে তানজিম হাসান সাকিবের শিকার হয়ে ফেরেন। শেষে হার্দিক পান্ডিয়া ২৯ বলে চার বাউন্ডারি ও এক ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৮ রান না করলে ১৬৮ রানও উঠত না। ইনিংসের শেষ বলে তাঁকে ফেরান মহম্মদ সইফুদ্দিন।
শেষে ১৫ বলে ১০ রান করে অপরাজিতা থেকে যান অক্ষর। এখানেও ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য। এশিয়া কাপের আগে যিনি ভারতের হয়ে ওপেন করতেন, সেই সঞ্জু স্যামসনের মতো ওপেনারকে আগে না নামিয়ে কেন শিবম দুবে, অক্ষর প্যাটেলদের আগে নামানো হল, তা কারও বোধগম্য হল না। আর এর জন্য নিজেরাই অযথা চাপ বাড়াচ্ছে ভারত।
ভারতকে ১৬৮ রানে আটকে দেয় বাংলাদেশ(Ind VS Ban Asia Cup)
একসময় ২০০ রান তুলতে বসা ভারতকে ১৬৮ রানে আটকে দিয়েও সুবিধে করতে পারল না বাংলাদেশ(Ind VS Ban Asia Cup)। সুপার ফোরের গত ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও এই ১৬৯ রান তাড়া করেই জিতেছিল বাংলাদেশ। এদিনও ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের জন্য তাদের টার্গেট ছিল ১৬৯। কিন্তু ভারত যে শ্রীলঙ্কা নয়, তা কিছুক্ষণের মধ্যেই টের পেয়ে যান পদ্মা পাড়ের ক্রিকেটাররা। জসপ্রিত বুমরা, বরুণ চক্রবর্তী, কুলদীপ যাদবদের বোলিং দাপটে ১৯.৩ ওভারে মাত্র ১২৭ রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস।
লিটন দাসের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানের চোটের কারণে ছিটকে যাওয়াটা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে বড় ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াল। তবে শুরুটা খুব একটা খারাপ করেনি বাংলাদেশের ওপেনিং ব্যাটসম্যান সইফ হাসান। তবে বাকি ব্যাটসম্যানরা বুমরা, কুলদীপদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করে সাজঘরে ফেরার শোভাযাত্রায় মেতে থাকলেন। সইফ ও পারভেজ হোসেন ইমন ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনও ব্যাটারই দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারলেন না।
স্বমহিমায় দেখা গেল বুমরাকে(Ind VS Ban Asia Cup)
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ছন্দে ছিলেন না বুমরা। উইকেটহীন ছিলেন(Ind VS Ban Asia Cup)। কিন্তু বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্বমহিমায় দেখা গেল তাঁকে। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম বল করতে এসে দ্বিতীয় বলেই ফিরিয়ে দিলেন বাংলাদেশের ওপেনার তানজিদ হাসানকে (১)। তিন নম্বরে নামা পারভেজ হোসেন ইমন কিছুটা সঙ্গ দিয়েছিলেন সইফকে। তৃতীয় উইকেটে ৪২ রানের পার্টনারশিপ করেন তাঁরা। কিন্তু বুমরা সেই জুটি ভাঙার পর একাই লড়লেন সইফ।
৫১ বলে ৩ বাউন্ডারি ও পাঁচ ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৯ রান করলেন সইফ। তবে তার জন্যও ভারতীয় ফিল্ডারদের অবদান রয়েছে। তিন-তিনবার তাঁর ক্যাচ পড়ল। শেষে ১৮তম ওভারে তিনিও বুমরার শিকার হলেন। বাউন্ডারিতে তাঁর দুরন্ত ক্যাচ ধরলেন অক্ষর।
দুই বাউন্ডারি ও এক ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯ বলে ২১ রান করলেন ইমন(Ind VS Ban Asia Cup)। তাঁকে ফেরালেন কুলদীপ। এরপর কুলদীপ, বরুণ, অক্ষর ও তিলক বর্মার স্পিন জাদুতে প্যাভিলিয়নের ফেরার প্রতিযোগিতায় মাতলেন তৌহিদ হৃদয় (৭), সামিম হোসেন (০), মহম্মদ সইফুদ্দিন (৪), রাশিদ হোসেন (২), তানজিম হাসান সাকিব (০), মুস্তাফিজুর (৬)। সূর্যর দুরন্ত থ্রোয়ে অধিনায়ক জাকের আলি (৪) হলেন রান আউট। ভারতের হয়ে কুলদীপ যাদব চার ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট। বুমরাও ১৮ রান দিয়ে নিলেন ২ উইকেট। চার ওভারে ২৯ রান দিয়ে ২ উইকেট পেলেন বরুণ চক্রবর্তী। একটি করে উইকেট পেলেন অক্ষর প্যাটেল ও তিলক বর্মা।
ভারত জিতলেও ফিল্ডিং চিন্তায় রাখল(Ind VS Ban Asia Cup)
ভারত জিতলেও এদিনও ফিল্ডিং চিন্তায় রাখল টিম ম্যানেজমেন্টকে(Ind VS Ban Asia Cup)। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও পাঁচ-পাঁচটা ক্যাচ পড়ল। চলতি এশিয়া কাপে এখনও পর্যন্ত ভারতের ক্যাচ মিসের সংখ্যা ১২। প্রতিযোগিতায় খেলা আটটি দলের মধ্যে সবথেকে বেশি ক্যাচ ফেলেছে ভারতই। তার মধ্যে বেশকিছু সহজ ক্যাচ মিসও রয়েছে।
গত পাকিস্তান ম্যাচেও ভুরি-ভুরি ক্যাচ ফেলেছিলেন ভারতীয় ফিল্ডাররা(Ind VS Ban Asia Cup)। বাংলাদেশের বিরুদ্ধেও সেই রোগ বর্তমান। যা ভারতের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিল। আগামী রবিবার ফাইনালেও যদি ক্যাচ মিসের এই রোগ না সারে, তাহলে বিপদ অনিবার্য। তাই ফাইনালের আগে ব্যাটিং অর্ডারের পাশাপাশি ফিল্ডিংও চিন্তায় রাখল ভারতকে। যদিও আগামী শুক্রবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে নিয়মরক্ষার ম্যাচ খেলবেন সূর্যকুমার যাদবরা। তাই ফাইনালের আগে নিজেদের ভুল শোধরানোর আরও একটা সুযোগ পাবেন তাঁরা।
ফাইনালে ওঠার অঙ্ক কঠিন হল বাংলাদেশের(Ind VS Ban Asia Cup)
সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারালেও ভারতের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার অঙ্ক কঠিন হয়ে গেল বাংলাদেশের(Ind VS Ban Asia Cup)। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচ মুস্তাফিজুর রহমানদের। এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই কার্যত সেমিফাইনাল। কারণ যারা জিতবে, তারাই আগামী রবিবার ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে খেলবে। দুই দলই একটি করে ম্যাচ জিতেছে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জোড়া ম্যাচ খেলতে নামায় বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্লান্তি সব থেকে বড় চিন্তার কারণ বাংলাদেশের। তাছাড়া চোট সারিয়ে লিটন দাস গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আদৌ ফিরতে পারবেন কিনা, সেটাও এখন বড় চিন্তা বাংলাদেশ শিবিরে।


