Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) সংক্রান্ত ‘কোর্ট অফ আরবিট্রেশন’ (CoA)-এর সাম্প্রতিক রায়কে একযোগে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। হেগের এই মধ্যস্থতা আদালতকে “বেআইনিভাবে গঠিত” বলে বর্ণনা করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দেশের সার্বভৌমিক সিদ্ধান্তের ওপর এই আদালতের কোনো অধিকার বা এক্তিয়ার নেই।
ভারতের মূল বক্তব্য (Indus Waters Treaty)
আইনি স্বীকৃতি নেই: ১৯৬০ সালের সিন্ধু জলচুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে বিশ্বব্যাংক এই মধ্যস্থতা আদালত গঠন করেছে। ভারত শুরু থেকেই এই ট্রাইব্যুনালের গঠন এবং প্রক্রিয়াকে অবৈধ বলে গণ্য করে আসছে।
সার্বভৌম ক্ষমতা অক্ষুণ্ণ: ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে যে এই আদালতের রুলিং ভারতের নিজস্ব প্রকল্প বা সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।
চুক্তি স্থগিত: পহেলগাম হামলার পর নেওয়া সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে নয়াদিল্লি জানিয়েছে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার ভারতের সিদ্ধান্ত এখনো বহাল রয়েছে।
কী বলেছিল মধ্যস্থতা আদালত?
পাকিস্তানের আবেদনের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দিয়েছিল যে, চুক্তি স্থগিত বা বাতিল করার মতো কোনো ভিত্তি নেই এবং ভারতকে ১৯৬০ সালের চুক্তির শর্ত মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে পশ্চিমের নদীগুলোর ওপর ভারতের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নকশা ও কার্যক্রম নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে করার কথা বলা হয়।
এ ছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরের চেনাব নদীর ওপর নির্মীয়মাণ রাটলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (Ratle Hydroelectric Power Project)-এর বাঁধ ও বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নির্দিষ্ট কিছু অংশের নির্মাণকাজে নিউট্রাল বিশেষজ্ঞের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর ৯০০ দিন পর্যন্ত সময়সীমা ও বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল এই আদালত(Indus Waters Treaty)।
ভারত এই সমস্ত নির্দেশকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও একতরফা বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় স্বার্থে তাদের প্রকল্পসমূহের কাজ যথারীতি এগিয়ে চলবে(Indus Waters Treaty)।



