Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কালীপুজো শুধুমাত্র (Kaalipuja 2025) এক রাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি শক্তির আরাধনা, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক শুদ্ধির একটি বার্ষিক উপলক্ষ। এই দিনে এমন কিছু আচার ও প্রথা রয়েছে, যেগুলিকে পালন করলে ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
১। সারা রাত ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো (Kaalipuja 2025)
পুজোর দিন সকালে ঠাকুরঘরে একটি ঘিয়ের প্রদীপ (Kaalipuja 2025) জ্বালিয়ে রাখা উচিত, এবং তা সারা রাত জ্বলতে থাকা প্রয়োজন। নিয়ম অনুযায়ী, এই আলো যেন একবারও নিভে না যায়, সেই দিকে নজর রাখতে হয়। এটি ঘরের আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি রাখে বলে মনে করা হয়।
২। ছাদে পাঁচমুখী প্রদীপ জ্বালানো (Kaalipuja 2025)
পুজোর রাতে বাড়ির ছাদে কালো রঙের পাঁচমুখী (Kaalipuja 2025) একটি প্রদীপ জ্বালানো হয় বিশেষ নিয়মে। এটি নেতিবাচক শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা করার এক ধরনের প্রতীকী ব্যবস্থা হিসাবে বিবেচিত হয়।
৩। ব্রাহ্মণ ভোজন করানো
যাঁরা পুজোর দিন উপবাস পালন করেন, তাঁদের পক্ষে পরদিন ব্রাহ্মণদের আহার করানো শুভফলদায়ী বলে মনে করা হয়। এটি বহু পুরনো সামাজিক ও ধর্মীয় রীতির অন্তর্ভুক্ত।
৪। নির্দিষ্ট উপকরণ দান
পুজোর সময় মন্দিরে গিয়ে কিছু নির্দিষ্ট উপকরণ যেমন আতপ চাল, একটি সম্পূর্ণ নারকেল, ঘি এবং ১০৮টি জবা ফুলের মালা দান করার প্রথা রয়েছে। এগুলি বিশেষ পবিত্র বলে ধরা হয় এবং উপাসনার অংশ হিসেবেই এগুলি ব্যবহৃত হয়।
আরও পড়ুন: Gold Price Fall: উৎসবের পরেই কমবে সোনার দাম! সত্যি নাকি জল্পনা?
৫। বটগাছের গোড়ায় তিল অর্পণ
সন্ধ্যার পর কাছাকাছি কোনও বটগাছের গোড়ায় তিনবার করে কালো তিল রেখে প্রার্থনা করা হয়। অনেকে মনে করেন এতে মানসিক শান্তি এবং জীবনের জটিলতায় ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হয়।
৬। খাড়া দান করা
এই দিনে কোনও কালীমন্দিরে একটি খাড়া বা বাঁশের দণ্ড দান করার রীতি রয়েছে। এটি প্রতীকী দান হিসেবে ধরা হয়, যার মাধ্যমে শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা প্রকাশ করা হয়।


