Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সারা দেশে এখন এক অগ্নিগর্ভ বিতর্ক (Karnataka Dogs Record)। পথকুকুরদের কি রাস্তায় থাকতে দেওয়া উচিত, না কি তাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে বনজাতীয় কোনও সরকারি পশু সংরক্ষণ কেন্দ্রে রাখাই একমাত্র সমাধান? সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশ এবং কর্নাটক রাজ্যের চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান এই বিতর্ককে আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলেছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ (Karnataka Dogs Record)
সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি জানিয়েছে, দিল্লি এবং এনসিআর-এ সমস্ত পথকুকুরকে (Karnataka Dogs Record) অবিলম্বে রাস্তাঘাট থেকে সরিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠাতে হবে। এমনকি প্রয়োজনে বলপ্রয়োগ করে হলেও এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে বলে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতিরা প্রশ্ন তুলেছেন, “যারা কুকুর কামড়ে মারা গিয়েছে, তাদের কি ফিরিয়ে আনা সম্ভব?” সেই কারণেই মানুষের নিরাপত্তার দিকটি মাথায় রেখে এই রায়।
কুকুর কামড়ানোর মামলা (Karnataka Dogs Record)
এই রায়ের মূল প্রেক্ষাপটে রয়েছে জলাতঙ্ক বা ‘র্যাবিস’ ভাইরাস সংক্রমণ (Karnataka Dogs Record)। কর্নাটকের স্বাস্থ্য দফতরের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে আগস্টের মধ্যে শুধুমাত্র এই একটি রাজ্যেই ২,৮৬,০০০-এরও বেশি কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। এই সময়ের মধ্যে র্যাবিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। শুধু ৪ থেকে ১০ আগস্টের মধ্যেই ৫,৬৫২টি কুকুর কামড়ানোর মামলা সামনে এসেছে।
কলেজছাত্রীর উপর পথকুকুর হামলার ঘটনা
মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুর আম্বেদকর স্কুল অফ ইকোনমিক্স ক্যাম্পাসে দুই কলেজছাত্রীর উপর পথকুকুর হামলার ঘটনায় আতঙ্ক আরও বাড়িয়েছে। তাঁদের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে বলা হচ্ছে, আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া দরকার। কুকুর কামড়ালে দ্রুত চিকিৎসা ও টিকা গ্রহণই একমাত্র পথ।
রাহুল গান্ধীর মন্তব্য
এমন এক পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তিনি এক্স-এ লেখেন, “এই অবলা প্রাণীগুলিকে সমাজের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। আশ্রয়, নির্বীজকরণ, টিকাদান এবং কমিউনিটি কেয়ারের মাধ্যমেই রাস্তাঘাট নিরাপদ রাখা সম্ভব, নিষ্ঠুরতা ছাড়াই।”

আরও পড়ুন: Kolkata Metro Rail: ৩টি মেট্রো রুটের একত্রে উদ্বোধন, রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী…
পথকুকুরদের নিরাপত্তা বনাম জনসাধারণের নিরাপত্তা-এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কোথায় সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। বাংলার মডেল যেমন একপাশে আছে-যেখানে কুকুরদের নির্বীজকরণ, ভ্যাকসিনেশন, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে সহনশীলতার বার্তা দেওয়া হয়, তেমনই সুপ্রিম কোর্টের রায় অন্য এক কঠোর বাস্তবের ছবি তুলে ধরছে।


