Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ কাণ্ডের (Kashmir Naka Checking) তদন্তে উঠে আসা একটি গুরুতর গাফিলতিকে কেন্দ্র করে এবার রাজ্যজুড়ে কড়া পদক্ষেপ শুরু করল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। তদন্তে জানা যায়, বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যবহৃত গাড়িটি জম্মু-কাশ্মীরের এক ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রেশন করা হলেও তা অন্যের কাছে ‘বিক্রি’ করা হয়েছিল। তবে সেই বিক্রির পরও গাড়িটির মালিকানা আইনি ভাবে হস্তান্তর করা হয়নি।
যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান (Kashmir Naka Checking)
এই তথ্য সামনে আসার পরেই মালিকানা পরিবর্তন না (Kashmir Naka Checking) করেই চলাচল করা যানবাহনের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু করে পুলিশ। প্রশাসনের আশঙ্কা, এই ধরনের অনিয়ম বেআইনি কার্যকলাপের ক্ষেত্রে বড়সড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হল জম্মু-কাশ্মীরের বাইরে রেজিস্ট্রেশন করা গাড়িগুলির মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা এবং রেজিস্ট্রেশনের অপব্যবহার রোধ করা। একই সঙ্গে সড়ক নিরাপত্তা জোরদার করাও এই অভিযানের অন্যতম উদ্দেশ্য।
প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা কঠিন (Kashmir Naka Checking)
অবন্তীপোরা, পুলওয়ামা, সোপিয়ান, কুলগাম, অনন্তনাগ-সহ (Kashmir Naka Checking) দক্ষিণ কাশ্মীরের একাধিক জেলায় একযোগে শুরু হয়েছে নাকা চেকিং ও যানবাহন তল্লাশি। প্রতিটি চেকপোস্টে গাড়ির কাগজপত্র, রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট, বিমা এবং মালিকানার নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী গাড়ি কেনা বা বিক্রির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই মালিকানা হস্তান্তর করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, বহু মানুষই এই নিয়ম উপেক্ষা করে বছরের পর বছর গাড়ি ব্যবহার করছেন। এর ফলে কোনও অপরাধ সংঘটিত হলে প্রকৃত দায়ী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।
পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, তল্লাশির সময় শুধু কাগজপত্রই নয়, ওই গাড়িগুলি কোনও বেআইনি কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যেসব গাড়ির ক্ষেত্রে যথাযথ নথি পাওয়া যাচ্ছে না বা মালিকানার প্রমাণ মিলছে না, সেগুলিকে বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে এবং আইনমাফিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, শুধুমাত্র সোপিয়ান জেলাতেই এখনও পর্যন্ত ১৪৪টি গাড়ির বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হয়েছে। বুদগাম জেলায় এই ধরনের অনিয়মের কারণে ১১টি গাড়ি আটক করা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সংখ্যাটি আরও বাড়তে পারে।
পুলিশ প্রশাসন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই অভিযান কোনও নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নয়। আগামী দিনেও মালিকানা হস্তান্তর না করা এবং সন্দেহজনক নথিযুক্ত যানবাহনের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে আইন মেনে গাড়ির মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার আবেদনও জানিয়েছে পুলিশ।


