Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: কান্থাপুরম এপি আবু (Kerala CM Comment) বকর মুসলিয়ার করা মন্তব্য নিয়ে আবার বিতর্কে উঠে এল কেরালার কংগ্রেস। বিতর্কের সূত্রপাত যখন কান্থাপুরমের নেতৃত্বাধীন সামান্থা কেরালা জামিয়যাতুল উলামা কর্তৃক জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় “যুবতীদের জন্য প্রকাশ্য রাস্তা ও মঞ্চে অপরিচিত পুরুষদের মধ্যে উপস্থিত থাকা “অনুমোদিত নয়”।
কী বলা হয়েছিল সেই বিজ্ঞপ্তি? (Kerala CM Comment)
কান্থাপুরমের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে (Kerala CM Comment) আরও বলা হয়, মাদ্রাসা ও স্থানীয় কমিটিগুলোকে প্রকাশ্য মঞ্চে নারীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। পরে কোচিতে একটি সম্মেলনে তিনি এটির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, নারীদের জনমঞ্চে নিয়ে আসা “ব্যাপক ধ্বংস” ডেকে আনবে এবং নারীদের ঘরেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।
প্রতিক্রিয়া (Kerala CM Comment)
কান্থাপুরমের মন্তব্যে কেরালার মুসলিম (Kerala CM Comment) মহিলারা বিরোধিতা করে বলেন যে, কেরালার জনজীবনে এ ধরনের বিধিনিষেদের কোনও স্থান নেই। এ ছাড়াও অনেক রাজনৈতিক নেতাও এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছেন। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল) এর নেতা সাদিক আলি থাঙ্গাল এই বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তি দিতে গিয়ে বলেন, “সম্ভবত তিনি নারী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই মতামত প্রকাশ করেছেন”
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী
কেরালার মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন বলেন, তাঁর সরকার বা কংগ্রেস দল, কেউই এই মন্তব্যকে সমর্থন করে না। তিনি জানান, ‘কান্থাপুরমের এই অবস্থান প্রগতিশীল কেরালার জন্য উপযুক্ত নয়।’ তিনি ইসলামের ইতিহাস থেকে বিভিন্ন চরিত্রের উদাহরণ দিয়ে যুক্তি দেন, কান্থাপুরমের বক্তব্য ইসলামের একটি ভুল ব্যাখ্যা ছিল।
আরও পড়ুন: Purulia Rail Line: পুরুলিয়াতে নয়া রেললাইন, কত টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র?
বার বার মহিলাদের স্বাধীনতাতেই বাধা কেন?
২০২৫ সালে দুর্গাপুরের মেডিক্যাল ছাত্রীর গণধর্ষণের ঘটনায় যখন রাজ্যবাসী ক্ষোভপ্রকাশ করেছিল , ঠিক সেই সময় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন যে, নারীদের সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হওয়া উচিত নয়। দেশে বা রাজ্যে যখনই কোনও নারী সুরক্ষা সম্পর্কিত ঘটনা ঘটে, তখনই সুরক্ষা নদেওয়ার আগেই নারীদের বাইরে যাওয়ার স্বাধীনতার উপরই কেন হস্তক্ষেপ? এই প্রশ্নর সদুত্তর এখনও অধরা!


