Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রততী সরকার: কেরলের এঝিমালা নৌসেনা অ্যাকাডেমিতে প্রায় এক বছর ধরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী হিসেবে কাজ করছিলেন এক যুবক (Kerala Police)। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর পরিচয় নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অভিযোগ, ওই ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক এবং ভুয়ো ভারতীয় নথি ব্যবহার করে ভারতে বসবাস করছিলেন।
নকল পরিচয়ে অ্যাকাডেমিতে (Kerala Police)
ধৃতের বয়স ৩২ বছর। অ্যাকাডেমিতে তিনি ‘বিপ্লব সোরেন’ নামে পরিচিত ছিলেন। তবে সেটিই তাঁর আসল নাম কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কন্নুর পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর প্রকৃত পরিচয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, অ্যাকাডেমির লন্ড্রি বিভাগে অস্থায়ী কর্মী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত অ্যাকাডেমি কর্তৃপক্ষের সন্দেহ থেকে। সম্প্রতি ওই যুবকের আচরণে সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেই সময় তাঁর মোবাইল ফোনে কিছু নথি ও তথ্য পাওয়া যায়, যা তাঁর বাংলাদেশি পরিচয়ের দিকে ইঙ্গিত করে বলে পুলিশের দাবি। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার রাত ৮টার কিছু পরে তাঁকে কন্নুর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কীভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করলেন? (Kerala Police)
পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর ধরে তিনি অ্যাকাডেমিতে কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, ‘বিপ্লব সোরেন’ তাঁর আসল নাম কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এখন তদন্তের বড় প্রশ্ন, বিদেশি নাগরিক হয়ে থাকলে তিনি কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করলেন এবং নৌসেনা অ্যাকাডেমির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে চুক্তিভিত্তিক কাজের সুযোগ পেলেন। তাঁর নিয়োগের প্রক্রিয়া এবং নথিপত্র যাচাই কী ভাবে হয়েছিল, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ECI: নওশাদের ‘খাম’ গেল ঋতব্রতর হাতে, হুমায়ুনের ‘বাঁশি’ গেল বিজয়ের দলে!
গ্রেফতার যুবক
এদিকে, কন্নুরে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে সাম্প্রতিক সময়ে আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এঝিমালা নৌসেনা অ্যাকাডেমির ঘটনায় তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে। ধৃত যুবকের প্রকৃত পরিচয় ও তাঁর ব্যবহৃত নথির সত্যতা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।



