Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোট মিটলেও উত্তেজনা কমছে না তিলোত্তমায়। উত্তর কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা এবং ‘বহিরাগত’ প্রবেশের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা (Kolkata Election)। বৃহস্পতিবারের তীব্র সংঘাতের পর শুক্রবার সকাল থেকেই গোটা কেন্দ্রটি মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে।
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/03/02/west-bengal-election-central-forces-deployment-480-companies-2026-03-02-13-33-04.jpg)
তৃণমূল-বিজেপি স্লোগানযুদ্ধ (Kolkata Election)
বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে স্ট্রংরুমের বাইরে ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে অবস্থানে বসেন তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ এবং শশী পাঁজা। তাঁদের অভিযোগ ছিল, স্ট্রংরুমে অসাধু উপায়ে বহিরাগত ঢোকানো হচ্ছে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় যখন সেখানে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় এবং সন্তোষ পাঠক উপস্থিত হন। দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় তুমুল স্লোগান-পাল্টা স্লোগান এবং ধস্তাধস্তি। রাতভর চলে এই টানটান উত্তেজনা।
আজকের বর্তমান পরিস্থিতি (Kolkata Election)
গতকালকের হাঙ্গামা থেকে শিক্ষা নিয়ে আজ সকাল থেকেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর পদক্ষেপ, গার্ড রেল ও ব্যারিকেড, কেন্দ্রের বাইরের রাস্তায় নবান্ন অভিযানের আদলে উঁচু উঁচু গার্ড রেল বসানো হয়েছে। বহিরাগত বা অপ্রয়োজনীয় কোনো ব্যক্তি যাতে এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে, তার জন্য চলছে কড়া চেকিং।

কেন্দ্রীয় বাহিনীর টহল (Kolkata Election)
স্থানীয় পুলিশের পাশাপাশি বিশাল সংখ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা মোতায়েন রয়েছেন। স্ট্রংরুমের চারপাশ ঘিরে রেখেছে আধা-সেনা। ড্রোনে নজরদারি: কেন্দ্রের আশেপাশে সন্দেহভাজন গতিবিধির ওপর নজর রাখতে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কমিশনের সাফাই (Kolkata Election)
গোটা বিতর্ক নিয়ে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, “সব ইভিএম এবং ব্যালট সম্পূর্ণ সুরক্ষিত আছে।” গতকাল করিডোরে পোস্টাল ব্যালট আলাদা করার কাজ চলছিল, যা নির্ধারিত নিয়ম মেনেই প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে হয়েছে। কোনোভাবেই স্ট্রংরুমের ভেতরে কেউ প্রবেশ করেনি বলে দাবি ইসিআই-এর।

আরও পড়ুন: IMF Economy: IMF-এর রিপোর্টে বিশ্বে আর্থিক বৃদ্ধি কমলেও দ্রুততম বড় অর্থনীতির পথে ভারত
থমথমে পরিবেশ
পুলিশের হস্তক্ষেপে কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজা অবস্থান তুলে নিলেও এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ৪ মে গণনার আগে পর্যন্ত এই কেন্দ্রটিকে ঘিরে নিরাপত্তার কড়াকড়ি বিন্দুমাত্র শিথিল করতে চাইছে না কমিশন। অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে তৈরি রাখা হয়েছে র্যাফ (RAF) এবং বিশেষ পুলিশ বাহিনীকে।



