Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মোবাইল চুরির তদন্ত করতে গিয়ে এবার বড়সড় পাচারচক্রের হদিস পাওয়ার দাবি মুম্বই পুলিশের (Kolkata Police)। শহর থেকে চুরি হয়ে যাওয়া একাধিক মোবাইল ফোনের ভারতীয় সিম কার্ড বাংলাদেশে ব্যবহার করা হচ্ছে—তদন্তে এমনই তথ্য সামনে এসেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এই সূত্র ধরেই চুরি যাওয়া মোবাইল পাচারের একটি চক্রের সন্ধান মিলেছে বলে জানা গিয়েছে।
সিমের সূত্র ধরেই খুলল রহস্যের জট (Kolkata Police)
তদন্তকারীদের নজরে আসে, মুম্বই থেকে চুরি হয়ে যাওয়া কিছু মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত ভারতীয় সিম কার্ডের কার্যকলাপের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গিয়ে তদন্তকারীরা সন্দেহজনক গতিবিধির সন্ধান পান। এরপরই মোবাইল চুরি এবং সীমান্ত পেরিয়ে পাচারের মধ্যে যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা শুরু হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি হওয়া মোবাইল প্রথমে একটি নির্দিষ্ট চক্রের হাতে পৌঁছত। পরে সেগুলি একাধিক ব্যক্তির মাধ্যমে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে পাচার করা হতো কি না, এখন সেটিই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
গার্ডেনরিচ ও বড়বাজারে যৌথ অভিযান (Kolkata Police)
এই তদন্তের সূত্র ধরেই মুম্বই ও কলকাতা পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়। কলকাতার গার্ডেনরিচ এবং বড়বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার প্রথমে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ৯১টি মোবাইল ফোন।
এরপর তদন্তের সূত্র ধরে আরও দু’জনকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও ১২৬টি মোবাইল ফোন। অর্থাৎ তিন অভিযুক্তের কাছ থেকে মোট ২১৭টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে।
আর কত বড় এই চক্র? (Kolkata Police)
উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক মোবাইল ফোন ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই চক্র কতদিন ধরে সক্রিয় এবং এর সঙ্গে আরও কতজন জড়িত? চুরি হওয়া ফোনগুলি কোথা থেকে সংগ্রহ করা হতো, কারা সেগুলি কলকাতায় আনত এবং কীভাবে বাংলাদেশে পাঠানো হতো—প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: Jogen Chowdhury: গুরুতর অসুস্থ যোগেন চৌধুরী, ভেন্টিলেশনে প্রখ্যাত শিল্পী
মোবাইল ফোনগুলির উৎস ও গন্তব্য শনাক্ত করার পাশাপাশি ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে চক্রের অন্য সদস্যদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চলছে। সীমান্তপারের এই সম্ভাব্য মোবাইল পাচারচক্রের পিছনে আরও বড় কোনও নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, তদন্ত এগোলে সেই ছবিও স্পষ্ট হতে পারে।



