Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডিসেম্বরের শুরুতেই কলকাতার আকাশে শীত নিজের জায়গা করে নিয়েছে (Kolkata Weather)। মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার ভোরে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যদিও এটি স্বাভাবিকের তুলনায় ০.৮ ডিগ্রি কম, ফলে শীতের উপস্থিতি টের পাওয়া গেছে সকাল থেকেই। শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও মঙ্গলবার ছিল বেশ নিম্নমুখী ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২.৬ ডিগ্রি কম। বাতাসে আর্দ্রতা ছিল সর্বাধিক ৯১ শতাংশ ও সর্বনিম্ন ৫১ শতাংশ। ফলে সকালটা ছিল শীতল হলেও দুপুরে ছিল কাঁচা মিঠে রোদ্দুরের ছোঁয়া।

পিকনিকের মৌসুমে শীতের মিঠে আনন্দ (Kolkata Weather)
ডিসেম্বর মানেই রাজ্যজুড়ে পিকনিকের মরশুম। সেই আনন্দে মেতে উঠেছে সাধারণ মানুষ। সোয়েটার চাপিয়ে ঠান্ডা হাওয়া উপভোগ করে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে ব্যস্ত অনেকেই। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছিল এই আনন্দ কি কিছুদিন পর ম্লান হয়ে যাবে? শীত কি পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?

শীত থাকবে স্থির (Kolkata Weather)
আবহবিদদের হিসাবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত শীত ‘থিতু’ হয়ে থাকবে। উত্তুরে হাওয়া দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করতে কোনও বাধা নেই। ফলে আবহাওয়ার রাস্তায় নেই কোনও ‘স্পিড ব্রেকার’। আগামী বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা আরও নামার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে সকালের দিকে অধিকাংশ জেলাতেই কুয়াশা থাকবে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমানতা উন্নত হবে।
কুয়াশা ও শীত—দুয়েরই মেলবন্ধন (Kolkata Weather)
দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় শীতের সুনির্দিষ্ট আমেজ বজায় থাকবে। তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। সকালবেলায় কুয়াশার দাপট থাকলেও দিনের আলো ফুটতেই সেই কুয়াশা সরতে থাকবে। শীতের এমন মোলায়েম আবহাওয়া শীতপ্রেমী মানুষের মন ভাল করে দিচ্ছে। শিশু থেকে প্রবীণ সবাই উপভোগ করছেন এই স্বস্তিদায়ক পরিবেশ।
আরও পড়ুন: India: যশস্বীর শতরানে সিরিজ জয় ভারতের! রো-কো জুটির কামব্যাকে মান বাঁচল গম্ভীরের
পাহাড়ে কাঁপুনি জাগানো শীত
উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং সর্বত্র শীতের প্রকোপ আরও তীব্র। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। পর্যটকদের ভিড়ে মুখর পাহাড়ি শহরগুলো। কাঞ্চনজঙ্ঘার সোনালি-রুপালি রূপে শীতের কাঁপুনি আরও বাড়িয়ে তুলছে রোমাঞ্চ। ভোরবেলায় পাহাড়ের আকাশ থাকবে কুয়াশায় মোড়া, তবে দুপুরের পর আকাশ থাকবে পরিষ্কার। ফলে পাহাড়মুখী পর্যটকদের ভ্রমণে অসুবিধার সম্ভাবনা কম।



