Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘ দেড়মাস জেলবন্দি থাকার পর বারুইপুরের (Lahek Ali Baruipur) সিপিআইএম নেতা লাহেক আলির অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে লাহেকের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
কেন জামিন মঞ্জুর? (Lahek Ali Baruipur)
এই বাম নেতার মা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় (Lahek Ali Baruipur) হাসপাতালে ভর্তি। এই পরিস্থিতিতে লাহেকের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করার আবেদন জানান তাঁর আইনজীবীরা। পরিস্থিতি বিচার করে লাহেকের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। তবে আদালত শর্ত দিয়েছে, অন্তর্বর্তী জামিনে থাকাকালীন এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না লাহেক। তদন্তের প্রয়োজনে বারুইপুর থানা ডাকলে উপস্থিত হতে হবে সিপিএম নেতাকে।
আরও পড়ুন: Weather Forecast: বঙ্গে বৃষ্টিতেও স্বস্তি নেই! বজায় থাকবে গুমোট ভাব
গত জুনে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুন ও পরবর্তীতে (Lahek Ali Baruipur) গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বারুইপুর। নাবালিকার খুনের প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন এলাকাবাসী। সেই আন্দোলনের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন সিপিআইএম নেতা লাহেক আলি। বারুইপুরে অশান্তিতে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গত ১২ জুলাই লাহেক আলিকে গ্ৰেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ২৬টি ধারায় মামলা রুজু হয়। এর আগে জামিনের আবেদন জানালাও, লাহেকের জামিন নামঞ্জুর করে দিয়েছিল আদালত। কিন্তু সম্প্রতি তাঁর মা গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভেন্টিলেশন সাপোর্টে রয়েছেন। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই হাইকোর্ট এদিন ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত লাহেকের শর্তসাপেক্ষে অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল।
কয়েক মাস আগে বারুইপুরের সূর্যপুরে এক নাবালিকার দেহ উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল গোটা এলাকায়। এই ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফুঁসছিলেন। রাস্তায় দেখা যায় মানুষের ব্যাপক বিক্ষোভ।
এই বিক্ষোভের সময় পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, প্রতিবাদের সুযোগ নিয়ে এলাকায় হিংসাত্মক কাণ্ডকারখানা চালিয়েছে একদল মানুষ। পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ প্রশাসনের অতিরিক্ত বাহিনীও নামাতে হয়েছিল রাস্তায়। তদন্তের স্বার্থে বারুইপুর থানার পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত একাধিক মামলার রুজু করে। শুরু হয় তদন্ত। তদন্তকারীরা কিছু ভিডিও ফুটেজ এবং তথ্য মারফত জানতে পারেন লাহেক আলির নাম। তাদের দাবি ছিল ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে তিনি সাধারণ মানুষকে উস্কে দিয়ে উত্তেজনা বাড়িয়েছিলেন। এই দাবির ভিত্তিতেই তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।


