Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রয়াত ল্যাকমির প্রতিষ্ঠাতা সিমোনে টাটা(Simone Tata)। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। চিকিৎসা চলছিল ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে। শুক্রবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৯৫। সিমোনে ছিলেন টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান নোয়েল টাটার মা। গোষ্ঠীর প্রাক্তন চেয়ারম্যান রতন টাটার সৎমা। শুক্রবার সকালে সিমোনের মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া।
টাটা গোষ্ঠীর বিবৃতি(Simone Tata)
টাটা গোষ্ঠীর(Tata Group) তরফে এদিন এক বিবৃতিতে সিমোনের(Simone Tata) প্রয়াণ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে লেখা হয়েছে, ‘ভারতের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিক ব্র্যান্ড হিসেবে ল্যাকমির প্রসার এবং ওয়েস্টসাইড চেনের মাধ্যমে ফ্যাশন রিটেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে তাঁর অবদানের জন্য তিনি সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি স্যার রতন টাটা ইনস্টিটিউট-সহ অনেক জনহিতকর সংস্থার কাজ পরিচালনা করেছিলেন।’
সিমোন টাটা কে ছিলেন?(Simone Tata)
সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনিভাতে জন্ম হয়েছিল সিমোনের। ১৯৫১ সালে পর্যটক হিসেবেই প্রথম ভারতে আসেন তিনি। বছর দুই পরে শিল্পপতি নাভাল টাটার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তারপর থেকে মুম্বইতে থাকতে শুরু করেন। ১৯৬০ সালে টাটাগ্রুপের ব্যবসায় যোগ দেন তিনি।
আরও পড়ুন: Indigo Flight: কলকাতা ও চেন্নাই বিমানবন্দরে বাতিল ফ্লাইট কতটা ঝুঁকিপূর্ণ
ল্যাকমির উত্থানের নেপথ্যে সিমোনে(Simone Tata)
১৯৬১ সালে সিমোনে ল্যাকমিতে যোগ দেন। সেই সময় টাটা অয়েল মিলস কোম্পানির একটি অধীন একটি ছোট ব্র্যান্ড ছিল ল্যাকমি। তারপর ধীরে ধীরে নিজের ব্যবসায়িক বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে ল্যাকমিকে এগিয়ে নিয়ে যান সিমোনে। ১৯৮২ সালে ল্যাকমির চেয়ারপার্সন হিসেবে নিযুক্ত হন তিনি। ভারতের প্রসাধন শিল্পে বিপুল অবদানের জন্য সিমোনেকে বলা হতো ‘Cosmetics Czarina of India’ বা ভারতের কস্মেটিক্স জগতের সম্রাজ্ঞী। সিমোনের মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পরই শোকের ছায়া শিল্পমহলে।
আরও পড়ুন: Placement: চাকরির বাজারে বড় খবর: দেশের আইআইটিগুলিতে রেকর্ড নিয়োগ, প্রথম দিনেই ঝড়!


