Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আলো উৎসবের মাঝেই নেমে এল মৃত্যুর অন্ধকার। আলমারির মধ্যে থেকে উদ্ধার ঝুলন্ত দেহ। ১১ বছরের কিশোরীর মর্মান্তিক পরিণতি! অচৈতন্য অবস্থায় আলমারির মধ্যে থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার করে পরিবার। দেখা যায়, তাঁর ঘরেরই আলমারির মধ্য়েই গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে রয়েছে কিশোরীর অচৈতন্য দেহ (Alipore Death Case)। মৃত্যু হয়নি, তা বোঝাই যাচ্ছিল। তাই তড়িঘড়ি ওই কিশোরীকে এসএসকেএস হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবার। সোমবার কিশোরীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা। আত্মহত্যা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ সরাসরি খুনের অভিযোগ তুলেছেন। তাঁদের দাবি, ওই নাবালিকাকে অত্যাচার করে খুন করা হয়েছে।
আত্মহত্যা নয়, খুনের অভিযোগ (Alipore Death Case)
প্রয়াত নাবালিকা ছিলেন আরজি করের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সাজাপ্রাপ্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের ভাগ্নি। প্রতিবেশীরা জানান, মেয়েটির মা আগেই মারা গিয়েছিলেন। মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা নিজের শ্যালিকাকেই বিয়ে করেন, যিনি একই সঙ্গে মেয়েটির মাসিও। এই সৎ মার হাতেই নাকি মেয়েটিকে নিয়মিত শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হত (Alipore Death Case)।
আরও পড়ুন:Kali Puja Night: কালীপুজোর রাতে শব্দবাজির দাপট, পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার ৬৪০
পুলিশের সামনেই বাবা-সৎ মাকে মারধর স্থানীয়দের (Alipore Death Case)
বিদ্যাসাগর কলোনির বাসিন্দারা দাবি করেছেন, “মেয়েটিকে প্রতিদিন মারধর করা হত। কান্নার আওয়াজ প্রায়ই শোনা যেত। কেউ কিছু বললে বলা হত, ‘ও খারাপ মেয়ে’।” মৃতার ঠাকুরমাও একই অভিযোগ তুলেছেন—মেয়েটিকে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রয়েছে তার বাবা ও সৎ মা। যা নিয়ে উত্তেজনা ভবানীপুরের বিদ্যাসাগর কলোনিতে।
আরও পড়ুন:Kolkata Air Quality: বাজি ফাটল, বারুদে ভরল আকাশ! কলকাতার হাওয়ায় কি বিষ আছে?
মঙ্গলবার বাড়ি থেকে বেরতেই তাঁদের উপর চড়াও হয় প্রতিবেশীরা। মৃত কিশোরীর নাক-মুখে ঠাটিয়ে চড় মারে উত্তেজিত জনতা! জুতো পেটা করা হয় মৃতার বাবাকে (Alipore Death Case)। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ বর্তমানে তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতে আত্মহত্যা না খুন, সেই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানানো হয়েছে।


