Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: শরীর সুস্থ রাখতে যেমন প্রোটিন, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন (Magnesium), ঠিক তেমনই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিনারেল হল ম্যাগনেসিয়াম। অথচ অনেকেই এর গুরুত্ব সম্পর্কে খুব বেশি সচেতন নন। ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে শরীরে একাধিক সমস্যার সূত্রপাত হতে পারে— ক্লান্তি, পেশিতে টান, ঘন ঘন দুর্বলতা, হাড় দুর্বল হয়ে পড়া ইত্যাদি।
ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে কী হয়? (Magnesium)
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন (Magnesium), শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি হলে দেখা দিতে পারে একাধিক উপসর্গ:
- অতিরিক্ত ক্লান্তি বা ঝিমুনি ভাব
- মাঝরাতে পেশিতে হঠাৎ টান পড়া
- সারা শরীরে দুর্বলতা
- শক্তি বা এনার্জির অভাব
- মনঃসংযোগে ঘাটতি
- অল্প পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে ওঠা
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ ফলের তালিকা (Magnesium)
অ্যাভোকাডো — সুপারফুডের রাজা
অ্যাভোকাডো আজকাল শহরাঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়। এই সবুজ ফলটি শুধু ম্যাগনেসিয়ামে নয়, পটাশিয়াম ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে ভরপুর। ব্রেকফাস্টে টোস্টে মাখনের পরিবর্তে অ্যাভোকাডো পেস্ট ব্যবহার করুন। এটি হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এবং শরীরে শক্তি জোগায়।

কলা — সহজলভ্য অথচ কার্যকর (Magnesium)
রোজকার ফলের মধ্যে সবচেয়ে সহজলভ্য ফল কলা। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলে শরীরে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হয়। স্মুদি বা ফ্রুট বোলের সঙ্গেও এটি খাওয়া যায়।
ডুমুর — প্রাকৃতিক শক্তি ও স্বাদে ভরপুর (Magnesium)
ডুমুর বা অঞ্জির একটি বিস্ময়কর ফল। শুকনো ডুমুরে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। এটি প্রাকৃতিক মিষ্টির বিকল্প হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ২–৩টি শুকনো ডুমুর প্রতিদিন খাওয়া শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী।
ব্ল্যাকবেরি — অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার
বিভিন্ন ধরনের জামজাতীয় ফল, বিশেষ করে ব্ল্যাকবেরি খেলে মিলবে দ্বিগুণ উপকার। এতে যেমন ম্যাগনেসিয়াম আছে, তেমনই রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস যা দেহে টক্সিন জমতে দেয় না।
কিউই — ছোট ফল, বড় গুণ
আজকাল অনেকেই কিউই ফল পছন্দ করছেন (Magnesium)। কিউইতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন C ও ফাইবার। এটি ফ্রুট স্যালাড বা ফলের রসে ব্যবহার করা যায়।
প্রতিদিনের ডায়েটে কেমন করে রাখবেন এই ফলগুলি (Magnesium)
সকালের খাবারে অথবা বিকেলের হালকা স্ন্যাকস হিসেবে এই ফলগুলি খাওয়া সবচেয়ে উপযোগী। ব্ল্যাকবেরি বা কিউই দিয়ে স্মুদি বা ফ্রুট স্যালাড বানানো যায়। কলা খাওয়া যায় যে কোনও সময়েই। সব ফল সবার জন্য উপযোগী নয়।
আরও পড়ুন: Blast in Mohali : মোহালির অক্সিজেন প্ল্যান্টে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, কেঁপে ওঠে ২ কিমি পর্যন্ত এলাকা
কারও যদি বিশেষ খাদ্য সংবেদনশীলতা বা রোগ থাকে (যেমন অ্যাসিডিটি, ডায়াবেটিস), তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ফল খাওয়া উচিত। একসঙ্গে বেশি পরিমাণ ফল না খেয়ে পরিমিত পরিমাণে রোজকার ডায়েটে রাখুন।


