Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Mahua Moitra) অমিত শাহের দফতরের বাইরে শুক্রবার তৃণমূলের সাংসদদের ধস্তাধস্তির ঘটনা রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র ফেসবুক লাইভে পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং পুলিশের আচরণ, কেন্দ্রীয় সরকার এবং ইডি–কে তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং সাংসদদের টেনে-হিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে থানায় তোলা হয়েছে।
প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির হানার প্রতিবাদ (Mahua Moitra)
লাইভ চলাকালীন মহুয়া মৈত্রের সঙ্গে ছিলেন (Mahua Moitra) শতাব্দী রায়, প্রতিমা মণ্ডল, শর্মিলা সরকার, বাপি হালদার, সাকেত গোখলে ও কীর্তি আজাদ। পুলিশ এই সকল সাংসদদের শাহের দফতরের বাইরে টেনে তুলে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় নিয়ে যায়। এই বিক্ষোভ মূলত কলকাতার তৃণমূল সরকারের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক এবং তার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির হানার প্রতিবাদে সংগঠিত হয়েছিল।

নির্বাচনী তথ্য চুরির চেষ্টা (Mahua Moitra)
মহুয়া মৈত্র(Mahua Moitra) লাইভে বলেন, “বাংলার মানুষ দেখেছে কিভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের নির্লজ্জ পুলিশ সাত-আট বছরের পুরনো কয়লা কেলেঙ্কারির অজুহাত দেখিয়ে ইডিকে আইপ্যাক অফিস ও প্রতীক জৈনের বাড়িতে ঢুকিয়েছে। তারা তৃণমূলের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী তথ্য চুরির চেষ্টা করেছে। সাত বছরের তথ্য এখন কেন হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো? আইপ্যাক বা প্রতীকের কম্পিউটার কি এই তথ্য ধারণ করে রাখে?” তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আইপ্যাক দফতর এবং প্রতীকের বাড়িতে গিয়ে রাজনৈতিক সম্পত্তি রক্ষা করেছেন।
তৃণমূল নেত্রী ‘বাঘের বাচ্চা’
তিনি তৃণমূল নেত্রীকে ‘বাঘের বাচ্চা’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলাম। কিন্তু সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশ আমাদের টেনে-হিঁচড়ে তুলে এনেছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এর যথাযথ জবাব দেবে।” এই ঘটনার সময় শতাব্দী রায় এবং প্রতিমা মণ্ডলকে কার্যত টেনে সরিয়ে নেওয়া হয়, বাপি হালদারকে পাঁজাকোলা করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়, এবং সাকেত গোখলকেও পুলিশ টেনে ভ্যানে তুলে নেন।

আরও পড়ুন: Oppo New Phone: বাজারে আসতে চলেছে ওপ্পোর নতুন ফোন, থাকছে বিশেষ ক্যামেরা
ঘটনার পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, “গণতন্ত্রকে শাস্তি দেওয়া হয়, অপরাধীদের পুরস্কৃত করা হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলোকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচনের সুবিধা নেওয়া হচ্ছে, বিক্ষোভকারীদের জেলে পাঠানো হচ্ছে। এটি বিজেপির নতুন ভারতের নমুনা। পশ্চিমবঙ্গ প্রতিরোধ করবে।”


