Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও ‘ঘাসফুল’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের পরই আইনি লড়াই আরও জোরাল হয়েছে (Mamata Banerjee)। কমিশন আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং সংরক্ষিত ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহারে দুই গোষ্ঠীর উপরই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উপনির্বাচনের আগে নতুন নাম ও প্রতীক (Mamata Banerjee)
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচন সামনে রেখেই কমিশন দুই গোষ্ঠীকে বিকল্প নাম ও প্রতীক দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী পেয়েছে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল প্লেয়ার’ প্রতীক। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ হয়েছে ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক।
কপিল সিব্বালের জরুরি শুনানির আর্জি (Mamata Banerjee)
সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটি দ্রুত তালিকাভুক্ত করার আবেদন জানান প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাওয়ার পরেই দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তাই বিষয়টির দ্রুত বিচারিক পর্যালোচনা প্রয়োজন।
প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে কী হল? (Mamata Banerjee)
কপিল সিব্বালের আবেদনের পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, বিষয়টি একতরফাভাবে শোনা সম্ভব নয়, কারণ অপর পক্ষেরও বক্তব্য রয়েছে। তবে মামলাটি তালিকাভুক্ত করার আশ্বাস দেওয়া হয়। অর্থাৎ, দ্রুত শুনানির পথ খুললেও এই পর্যায়ে কমিশনের নির্দেশের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি।
এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয় (Mamata Banerjee)
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নির্বাচন কমিশনের নাম ও প্রতীক সংক্রান্ত ব্যবস্থা আপাতত অন্তর্বর্তী। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মূল বিরোধের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। নির্বাচন চিহ্ন সংক্রান্ত ১৯৬৮ সালের বিধির ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনেই এই দাবিদাওয়া নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা।
নজর এখন শীর্ষ আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপে
ফলে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে আইনি টানাপোড়েন নতুন মাত্রা পেয়েছে। সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ আসে, তা এখন গুরুত্বপূর্ণ। তবে আদালত এখনও কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল বা স্থগিত করেনি; পরবর্তী শুনানিতেই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।



