Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ (Mamata on DA) ভাতা নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় এল শীর্ষ আদালতের রায়ে। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, ডিএ সরকারি কর্মচারীদের মৌলিক অধিকার। সেই সঙ্গেই নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে বকেয়ার টাকা মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পর স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।
তড়িঘড়ি মন্তব্য না (Mamata on DA)
রায় প্রকাশের পর বাজেট-পরবর্তী সাংবাদিক বৈঠকে (Mamata on DA) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, বিষয়টি নিয়ে এখনই কোনও তড়িঘড়ি মন্তব্য করবেন না। তাঁর বক্তব্য, রায়ের সম্পূর্ণ নথি হাতে না পেলে এবং আইনি দিকগুলি খুঁটিয়ে না দেখলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। এজন্য রাজ্য সরকারের তরফে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। আদালত যে সময়সীমা দিয়েছে, তার মধ্যেই কীভাবে এগোনো যায়, তা নিয়েই আপাতত ভাবনা।

পশ্চিমবঙ্গের পেনশন ব্যবস্থা
ডিএ প্রসঙ্গের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের সামগ্রিক সুযোগ-সুবিধার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, দেশের বহু রাজ্যে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা নিয়মিত পেনশনের সুবিধা পান না, অথচ পশ্চিমবঙ্গে সেই ব্যবস্থা বহাল রয়েছে। এই প্রসঙ্গে তিনি যুক্তি দেন, পেনশন বন্ধ করলে সরকারের খরচ কমতে পারে ঠিকই, কিন্তু তাতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন সাধারণ মানুষ, যাঁদের জীবন এই আয়ের উপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বাড়ানো হবে ৩০০০ টাকা, ভোটের আগেই ঘোষণা শুভেন্দুর!
মমতার বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে ‘মানুষকেন্দ্রিক শাসন’-এর কথা। তাঁর মতে, রাজ্যে যে বিপুল সংখ্যক সামাজিক প্রকল্প চালু রয়েছে, তার মূল কারণই হল সাধারণ মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া। উন্নয়ন নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি কটাক্ষ করে বলেন, প্রকৃত কাজ যারা করে, তারা নিজের ঢাক নিজে পেটায় না।


