Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফের অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক কলকাতায়। সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিট নাগাদ পূর্ব কলকাতার বানতলার লালকুঠি এলাকার একটি প্লাস্টিক কাঁচামাল মজুত গোডাউনে ভয়াবহ আগুন লাগে (Bantala)। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা গুদামে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ।

ঘটনাস্থলে দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন (Bantala)
খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। গুদামে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। বাতাস বইতে থাকায় আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।
হতাহতের খবর নেই (Bantala)
পুলিশ ও দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সময় গুদামের ভেতরে থাকা কর্মীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। ফলে কোনও হতাহতের খবর নেই। তবে আগুনের তীব্রতায় গুদামের বিস্তর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান।
ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় আতঙ্ক (Bantala)
যে গোডাউনে আগুন লাগে, তার অদূরেই রয়েছে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা। আগুন লাগার খবর ছড়াতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আশপাশের এলাকা সতর্কতার সঙ্গে নজরদারিতে রাখা হয়। ঠিক কী কারণে আগুন লেগেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শর্ট সার্কিট নাকি অন্য কোনও কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও দমকল বিভাগ। গোডাউনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারিতে একের পর এক অগ্নিকাণ্ড
উল্লেখযোগ্যভাবে, চলতি জানুয়ারি মাসে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে।
গত ১৬ জানুয়ারি তপসিয়ার একটি কারখানায়, ১৫ জানুয়ারি বড়বাজারের বনফিল্ড লেনে রাসায়নিকের গুদামে, ১৪ জানুয়ারি বি বি গাঙ্গুলি স্ট্রিটে আসবাবপত্রের দোকানে এবং ৭ জানুয়ারি আনন্দপুরের নোনাডাঙা বস্তিতে আগুন লাগে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



