Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফের ভিন্রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের(Migrant Labourer Death) মৃত্যুর ঘটনা। মৃতের নাম দেবানন্দ সানা। গোয়ায় কাজ করতেন তিনি। অভিযোগ, দেবানন্দকে গত বুধবার পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তার পর সেখানকার স্থানীয় হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে ফোন করে বলা হয়, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দু’দিন পরে আবার সেই হাসপাতাল থেকেই ফোন করে পরিবারকে জানানো হয় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। কী কারণে পুলিশ দেবানন্দকে ধরে নিয়ে গেল আর কী ভাবেই তাঁর মৃত্যু হল তা নিয়ে সদস্যদের মধ্যে ধোঁয়াশা দেখা গিয়েছে। পরিবারের তরফ থেকে পুলিশের কাছে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি করা হয়েছে।
পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু(Migrant Labourer Death)
দেবানন্দ হাসনাবাদ থানার হাসনাবাদ রেলগেট সংলগ্ন রামকৃষ্ণপল্লি এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে গোয়ায় কাজ করতেন তিনি। তাঁর বাড়িতে বাবা এবং মা থাকেন। পরিবার সূত্রে খবর, গত ২৩ ডিসেম্বর প্রতিদিনের মতো কাজ করতে যাওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা হয় দেবানন্দের। এর পর তাঁর সঙ্গে আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি। পরের দিন অর্থাৎ বুধবার সেখানকার এক হাসপাতাল থেকে ফোন করে দেবানন্দের মাকে জানানো হয় যে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ভাস্কো থানার পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়েছে।

দু’দিন পরে, অর্থাৎ শুক্রবার সেই হাসপাতাল থেকেই তাঁর পরিবারকে আবার ফোন করে জানানো হয় যে, দেবানন্দের মৃত্যু(Migrant Labourer Death) হয়েছে। এর পর হাসনাবাদ থানার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোয়ার ভাস্কো থানার পুলিশ। সেখানে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে গিয়ে হাসনাবাদ থানার উদ্যোগে সমস্ত নিয়মকানুন অনুযায়ী দেবানন্দের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্তের পর শুক্রবার তাঁর দেহ কফিনবন্দি অবস্থায় বাড়িতে ফিরে আসে।
পরিবারের পাশের থাকার আশ্বাস বসিরহাট দঃ বিধায়কের(Migrant Labourer Death)
এই ঘটনার পর মৃতের বাড়িতে পৌঁছান বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক ডক্টর সপ্তসী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং জানান, বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোচরে আনা হবে।

আরও পড়ুন: Rajasthan Government Schools: ক্লাসরুমেই বিশ্বদর্শন! স্কুলে সংবাদপত্র পাঠ এবার বাধ্যতামূলক
দেবানন্দের মৃতুতে প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা
আর্থিক অনটনে থাকা ওই পরিবারে একমাত্র উপার্জন করতেন দেবানন্দ। তাঁর রহস্যজনক মৃত্যুতে কার্যত দিশাহারা পরিবার। দেবানন্দের মা ও দিদি রুমা সানার প্রশ্ন, কী কারণে পুলিশ তাঁকে থানায় নিয়ে যায় এবং কেন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়? পুলিশের কাছে যুবকের রহস্যমৃত্যুর তদন্তের দাবি জানিয়েছে পরিবার। গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।
আরও পড়ুন: Weather Update: হঠাৎ উধাও হাড়কাঁপানো শীত, তবে কি বিদায় নিচ্ছে শীতকাল?


