Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে (Naushad Siddiqui)। আইএসএফ বিধায়ক ও দলের শীর্ষ নেতা নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন আগেই তাঁদের দলকে ‘খাম’ বা Envelope প্রতীক বরাদ্দ করেছিল। সেই সংক্রান্ত অর্ডারের কপিও তিনি সাংবাদিকদের সামনে দেখান। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১০ মার্চ নির্বাচন কমিশনের সচিবালয় থেকে দলের ঠিকানায় ওই বরাদ্দের চিঠি পাঠানো হয়েছিল।
নন্দীগ্রামে খাম প্রতীক অন্য প্রার্থীকে কেন? (Naushad Siddiqui)
নওশাদের বক্তব্য, আইএসএফ নন্দীগ্রামে ইতিমধ্যেই প্রার্থী দিয়েছিল এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও অডিট-সংক্রান্ত তথ্য জমা দিয়েছিল। তাঁর প্রশ্ন, একই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অধীনে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কীভাবে আবার অন্য পক্ষকে একই প্রতীক দেওয়া হল?
এই সিদ্ধান্তকে তিনি পরিকল্পিতভাবে আইএসএফকে দুর্বল করার প্রচেষ্টা বলে দাবি করেছেন। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামে আইএসএফ দ্বিতীয় শক্তিশালী রাজনৈতিক পক্ষ হিসেবে উঠে আসতে পারে বলেই প্রতীক নিয়ে এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।

‘আইনি পথে যাব’, জানালেন নওশাদ (Naushad Siddiqui)
প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই আপত্তিপত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওশাদ সিদ্দিকী। তাঁর দাবি, কমিশনের তরফে সন্তোষজনক উত্তর না মিললে আইনি পথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। আগামী প্রতীক বরাদ্দের সিদ্ধান্তের দিকেও নজর রাখছে আইএসএফ।
প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরলেন বিধায়ক (Naushad Siddiqui)
নওশাদ বলেন, নির্বাচনে প্রতীক ভোটারদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষ অনেক সময় প্রার্থীর পাশাপাশি পরিচিত প্রতীক দেখেও ভোট দেন। নিজের বক্তব্যের উদাহরণ হিসেবে পুরশুড়িয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, সেখানে আইএসএফ প্রার্থী না থাকা সত্ত্বেও একই প্রতীক দেখে এক ব্যক্তি প্রায় ২২০০ ভোট পেয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: Major Rishabh Singh Sambyal: ১২ বছর সেনা পরিষেবার পর অবসর, পেনশন পাবেন কি মেজর ঋষভ?
প্রার্থী প্রত্যাহার নিয়েও প্রশ্ন
নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার প্রসঙ্গেও সরব হন নওশাদ। তাঁর অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে বা চাপ সৃষ্টি করে প্রার্থী প্রত্যাহার করানো গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ইতিবাচক নয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধী হলেও গণতন্ত্রের স্বার্থে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলির সক্রিয় থাকা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, গণতন্ত্রের শেষ কথা বলবে মানুষ।



