Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দার্জিলিং জেলার মিরিক ছবির (North Bengal Disaster) মতো সাজানো এক পাহাড়ি শহর। সাধারণত দুর্গাপুজো থেকে দীপাবলি অবধি সময়টুকু পাহাড়ি পর্যটনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। ছুটির এই মরশুমে সমতলের ভিড় জমে পাহাড়ে, হোটেল থেকে হোমস্টে সবকিছুই হয়ে ওঠে সরগরম। কিন্তু এ বছর সেই ছবিটা সম্পূর্ণ পাল্টে গেছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ (North Bengal Disaster)
এক রাতের ভয়ঙ্কর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙে পড়েছে মিরিকের শান্ত-সৌন্দর্য (North Bengal Disaster)। ধারাগাঁও-সহ আশেপাশের গ্রামের ঘরবাড়ি মাটিতে মিশে গেছে। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে, আহতদের আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে। কোথাও জমেছে পলিমাটির স্তূপ, কোথাও আবার জানলা দিয়ে ঢুকতে হচ্ছে নিজের ঘরে। বহু বাড়িতে এখন কেবল ধ্বংসের চিহ্ন আর শূন্যতা।
পরিচিত ছবি কার্যত উধাও (North Bengal Disaster)
এই ভয়ানক বিপর্যয়ের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে পাহাড়ের অন্যতম প্রধান (North Bengal Disaster) অর্থনৈতিক উৎস – পর্যটনের ওপর। অন্যান্য বছর এই সময় যেখানে মিরিকে পর্যটকদের ভিড়ে হাঁটাচলা করাই দায় হয়ে যায়, এবার সেই পরিচিত ছবি কার্যত উধাও। ভেসে গেছে দোকানপাট, বন্ধ হয়ে গেছে বুকিং, ফাঁকা হোটেল-হোমস্টে। ক্ষতির হিসেব কষে মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। অনেকে তো ভাবছেন, আদৌ কি আবার স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি?
একাধিক চা বাগান বিপর্যয়ের মুখে
তবে শুধু পর্যটন নয়, ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে পাহাড়ের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শিল্প – চা বাগানের। উত্তরবঙ্গের একাধিক চা বাগান বিপর্যয়ের মুখে। শ্রমিকদের মাথার ওপর যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে। ঘরহারা, কাজহারা পরিবারগুলি এখন শুধুই লড়াইয়ের মুখোমুখি – অন্ন, আশ্রয় আর নিরাপত্তার সংগ্রাম।
আরও পড়ুন: 10th October Horoscope: কোন রাশির জন্য সুখবর, কার জীবনে আসতে পারে বাধা?
সরকারি ত্রাণের দাবি উঠছে সর্বত্র। দুর্গত মানুষরা চাইছেন, প্রশাসন পাশে থাকুক, প্রয়োজনীয় সাহায্য হোক দ্রুত। কারণ শুধু মাটি বা ঘর নয়, এই বিপর্যয় কেড়ে নিয়েছে মানুষজনের স্বপ্ন, জীবনের আশা। তবে আশার আলো এখনো একেবারে নিভে যায়নি। স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাস্তা ঠিক হলে আবারও ঘুরে দাঁড়াবে মিরিক। পর্যটকরাও চাইছেন, প্রকৃতি আবার হাসুক, পাহাড় আবার রঙে রঙিন হোক।


