Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
তানিয়া রক্ষিত: ভারতে না থেকেও ভারতীয় ফুটবল সরগরম করে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের ওপর একের পর এক তোপ দেগেছেন (Oscar Bruzon Interview)। ছেরে গিয়েছেন কিন্তু তিক্ত অভিজ্ঞতা ভুলতে পারেননি। এবার সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছেন। সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়, দেবব্রত সরকারের মন্তব্য থেকে প্রাণনাশের হুমকি, আবার অ্যালভিটো ডি’কুনহা-সন্দীপ নন্দীর সঙ্গে সমস্যা থেকে বসুন্ধরা কিংসের মিডিয়া ম্যানেজারের অভিযোগ। সব কিছু নিয়ে কে টিভি বাংলার সঙ্গে অকপট অস্কার ব্রুজোঁ।
চুপ থাকার কারণ ও বিভিন্ন সমস্যা (Oscar Bruzon Interview)
প্রশ্ন: এতদিন ধরে এত কিছু সহ্য করে আপনি চুপ ছিলেন কেন? আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরই কেন মুখ খুললেন না?
অস্কার ব্রুজোঁ: কারণ মরশুম চলাকালীন আমার দায়িত্ব ছিল দলকে রক্ষা করা, নতুন কোনও সমস্যা তৈরি করা নয়। ইস্টবেঙ্গল ২২ বছর ধরে অপেক্ষায় ছিল, আমরা সেই ট্রফির জন্য লড়াই করছিলাম। সেই সময় যদি প্রধান কোচ প্রকাশ্যে দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিটি মতবিরোধ বা হস্তক্ষেপ নিয়ে কথা বলা শুরু করতেন, তাহলে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারত এবং আমাদের মূল লক্ষ্য থেকে সকলের মনোযোগ সরে যেতে পারত।
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও আমি সম্মানের সঙ্গে বিদায় নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু যখন মনে হল, আমার কোচিং-পর্ব নিয়ে প্রকাশ্যে একটি ভিন্ন ধরনের বয়ান তৈরি করা হচ্ছে এবং আমি নীরব থাকলে সেটিই হয়তো সত্যি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে, তখনই কথা বলার সিদ্ধান্ত নিই।
প্রতিযোগিতা চলাকালীন নীরব থাকার জন্য আমার কোনও আক্ষেপ নেই। নিজেকে রক্ষা করার চেয়ে দলকে রক্ষা করাই আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
প্রশ্ন: এর আগে আপনি সন্দীপ নন্দী এবং আলভিটো ডি’কুনহাকে নিয়ে অভিযোগ করেছিলেন। ঠিক কী ঘটেছিল? অ্যালভিটো ডি’কুনহা এবং বিকাশ পাজি কি দলের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতেন?
অস্কার ব্রুজোঁ: আমি এখানে ন্যায্য থাকতে চাই, কারণ প্রত্যেকেরই ঘটনাগুলির নিজস্ব ব্যাখ্যা রয়েছে। সন্দীপের ক্ষেত্রে পেশাগত মতবিরোধ ছিল—দায়িত্ব, ভূমিকা এবং টেকনিক্যাল স্টাফের কাজের ধরন নিয়ে। কোচিং কাঠামো সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত দলের জন্য যা প্রয়োজন বলে আমি মনে করতাম, তার ভিত্তিতেই নিতে হত। পরে সন্দীপ প্রকাশ্যে নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন। আমি ইচ্ছাকৃতভাবেই কোনও প্রকাশ্য সংঘাতে যেতে চাইনি। অ্যালভিটো এবং বিকাশের ক্ষেত্রে বলব, গত মরশুমে টেকনিক্যাল বিষয়ে তাঁদের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত সীমিত এবং তাঁরা এই ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক ছিলেন না। ইমামি আমাকে এই ধরনের ক্লাব-সংক্রান্ত হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষা দিয়েছিল।
আমার আপত্তি কখনওই ছিল না যে প্রাক্তন ফুটবলার বা ক্লাবের কিংবদন্তিরা দলের আশেপাশে থাকবেন না। ইস্টবেঙ্গলের ইতিহাসের প্রতি অবশ্যই সম্মান থাকা উচিত। সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন ম্যানেজমেন্ট, প্রাক্তন খেলোয়াড় এবং টেকনিক্যাল স্টাফের দায়িত্বের সীমারেখা স্পষ্ট থাকে না।
একটি পেশাদার ফুটবল দলে নির্দিষ্ট চেন অব কমান্ড থাকা অত্যন্ত জরুরি। খেলোয়াড়দের কাছে যদি বিভিন্ন জায়গা থেকে আলাদা মূল্যায়ন, নির্দেশ বা বার্তা পৌঁছতে থাকে, তাহলে দলের কর্তৃত্ব কাঠামো দুর্বল হয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত তার প্রভাব ড্রেসিংরুমে পড়ে।
প্রশ্ন: বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের মিডিয়া ম্যানেজার দাবি করেছেন, আপনি মিগুয়েল এবং রবসনের মধ্যে সমস্যা তৈরি করেছিলেন। এই অভিযোগের কোনও সত্যতা আছে? (Oscar Bruzon Interview)
অস্কার ব্রুজোঁ: এই বক্তব্য আমি সম্পূর্ণভাবে নাকচ করছি। আহমেদ শায়েক একজন ব্রোকার, যাঁকে ২০২৫-২৬ মরসুমে খেলোয়াড় সংক্রান্ত কাজের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগের কারণে বসুন্ধরা কিংস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর এখন তাঁকেই নতুন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অবিশ্বাস্য!
আসলে ফুটবলকে ব্যক্তিগত স্বার্থ পূরণের মাধ্যম হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে আহমেদ শায়েক এবং নীতুদার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে।
আমার কথা বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত খেলোয়াড়দের সঙ্গেই কথা বললে ঘটনাটি আপনারা জানতে পারবেন। মিগুয়েল এবং রবসন দু’জনেই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়, শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব এবং নিজেদের মতামত ও সম্পর্ক থাকা পেশাদার ফুটবলার। প্রতিযোগিতামূলক মতবিরোধ ড্রেসিংরুমে হতেই পারে। দুই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সম্পর্কের জটিলতাকে একজন কোচ ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁদের মধ্যে সমস্যা তৈরি করেছেন বলে ব্যাখ্যা করা অত্যন্ত সরলীকরণ। আমি তাঁরা দু’জনেই আমার ঘনিষ্ঠ এবং তাঁদের বন্ধু বলেই মনে করি। কেউ যদি এই অভিযোগ করেন, তাহলে আমি সাধারণ বক্তব্যের পরিবর্তে নির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ চাইব। বসুন্ধরা কিংসে আমার সময়কেও সামগ্রিকভাবে বিচার করা উচিত—ফলাফল, ট্রফি, দলের স্থিতিশীলতা এবং একাধিক মরসুমে দলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। ড্রেসিংরুম কীভাবে কাজ করত, তার অনেক বেশি নিরপেক্ষ ছবি সেখানেই পাওয়া যাবে।
দেবব্রত সরকারের সঙ্গে সমীকরণ (Oscar Bruzon Interview)
প্রশ্ন: দেবব্রত সরকার (নীতুদা) সম্পর্কে আপনি একাধিকবার বিভিন্ন কথা বলেছেন। আর কীভাবে তিনি আপনার জন্য সমস্যা তৈরি করেছিলেন?
অস্কার ব্রুজোঁ: নীতুদার সঙ্গে আমার মতবিরোধ মূলত ক্লাব পরিচালনা, ম্যানেজমেন্ট এবং টেকনিক্যাল বিভাগের মধ্যে সীমারেখা এবং খেলোয়াড়দের পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে। বিশেষ করে, নিজের স্বার্থ পূরণের জন্য তাঁর ব্রোকারদের মাধ্যমে খেলোয়াড় সংক্রান্ত বিষয় সামলানোর পদ্ধতি নিয়ে আমার আপত্তি ছিল।
তবে আমি বিস্তারিতভাবে সবকিছু বলতে চাই না। ময়দানের রাজনীতি সম্পর্কে সবাই জানেন। আর এই ধরনের পুরনো প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন তোলার অধিকার একমাত্র সমর্থকদেরই থাকা উচিত।
এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, যেখানে প্রতিষ্ঠিত টেকনিক্যাল কাঠামোর বাইরে খেলোয়াড় এবং স্টাফদের কাছে বিভিন্ন বার্তা পৌঁছত। রিক্রুটমেন্ট, খেলোয়াড় মূল্যায়ন, সূচি এবং অন্যান্য ফুটবল-সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও মতবিরোধ হয়েছে। আমার বিশ্বাস ছিল, এই বিষয়গুলিতে কোচিং স্টাফের আরও বেশি স্বাধীনতা থাকা উচিত।
আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ কোনও একটি নির্দিষ্ট ঘটনা ছিল না। বরং একের পর এক পরিস্থিতি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করেছিল যে দলের চারপাশে একাধিক প্রভাব তৈরি হয়ে যাচ্ছে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে আক্রমণ করতে চাই না। আমার সমালোচনা ফুটবল পরিচালনার পদ্ধতি নিয়ে এবং সেই পদ্ধতি পেশাদার পরিবেশে কী প্রভাব ফেলেছিল বলে আমি মনে করি, তা নিয়ে।
প্রশ্ন: নীতুদা আপনাকে তাঁর ‘চোখের মণি’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। আপনি কি এটাকে সত্যিকারের স্নেহ বলে মনে করেন, নাকি ব্যঙ্গ? (Oscar Bruzon Interview)
অস্কার ব্রুজোঁ: এর অর্থ কী ছিল, সেটা আপনার নীতুদাকেই জিজ্ঞাসা করা উচিত। তিনি দ্বিচারিতার মাস্টার এবং নিজের আসল বক্তব্য প্রকাশ করার জন্য সন্দেহজনক ফ্যান পেজ ও প্রভাবিত মিডিয়া হাউসের মাধ্যমে লোকজনকে ব্যবহার করেন।
ব্যক্তিগতভাবে আমি কথার চেয়ে কাজকে বেশি গুরুত্ব দিই। কেউ যদি আপনাকে ‘চোখের মণি’ মনে করেন, অথচ একই সময়ে আপনার সঙ্গে গুরুতর পেশাগত মতবিরোধ তৈরি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আপনি মনে করেন যে সেই কাঠামোর মধ্যে আর কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তাহলে সেখানে অবশ্যই একটা বৈপরীত্য রয়েছে।
এটা স্নেহ ছিল নাকি ব্যঙ্গ—তা ব্যাখ্যা করার কোনও প্রয়োজন আমি মনে করি না। কী ঘটেছে এবং কী কী তথ্য রয়েছে, তার ভিত্তিতে মানুষ নিজেরাই সম্পর্কটির বিচার করতে পারেন।
প্রশ্ন: নীতুদার সঙ্গে ক্লাবের যোগাযোগ ও সোশ্যাল মিডিয়ার বয়ান তৈরির কাজে কারা যুক্ত রয়েছেন?
অস্কার ব্রুজোঁ: আমি শুধু সেসব বিষয়েই কথা বলতে পারি, যার পক্ষে হাতের কাছে প্রমাণ আছে।
আমার কাছে প্রমাণ আছে, যেগুলো থেকে মনে হয়েছে সৈকত গঙ্গোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ার নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যেখানে নানান প্রোফাইল থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গল্প ছড়ানো হতো আমার বিরুদ্ধে। একবার তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক করার পর, দেখা গেল ওই সময়ে তাঁর পোস্টে ‘ইন্টার্যাক্ট’ করা ২০টিরও বেশি প্রোফাইলও সঙ্গে সঙ্গে ব্লক হয়েছে। পুরো বিষয়টির স্ক্রিনশটও রেখেছি, আইনজীবীদের অনুরোধে সেগুলো তদন্ত করা হচ্ছে।
এখানে স্পষ্ট করেই বলি—কোনও প্রমাণ আমি এখনও পাইনি, যেটা সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়কে আমার, আমার টিম বা আমার পরিবারের হুমকির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করে। এই অংশটা পুরোপুরি আলাদা, এবং অনেক বেশি সিরিয়াস। কোন তথ্য না থাকলে কাউকে দোষ দিতে চাই না। বিষয়টা যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: EB Saikat Ganguly: অস্কার ব্রুজোঁকে পাল্টা দিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়
ভারতে কোচিং করাবেন কি? (Oscar Bruzon Interview)
প্রশ্ন: অনেকেই মনে করেন, আপনার বক্তব্যের পিছনে মোহনবাগানের প্রভাব রয়েছে এবং আপনি ভবিষ্যতে তাদের প্রধান কোচ হতে পারেন। এই জল্পনার কোনও সত্যতা আছে?
অস্কার ব্রুজোঁ: না। মোহনবাগানের কেউ আমার বক্তব্য পরিচালনা করছে না এবং ওই ক্লাবের কারও সঙ্গে আমি কথা বলিনি।
আমার বক্তব্যকে মোহনবাগানের সঙ্গে যুক্ত করা আসলে আমি যে বিষয়গুলি নিয়ে কথা বলছি, সেগুলির মূল বক্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার সহজ উপায়। আমি কলকাতার ফুটবলের প্রতিদ্বন্দ্বিতাটা বুঝি। কলকাতার ফুটবলে ইস্টবেঙ্গলকে ঘিরে প্রায় সব বিষয়ই শেষ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান দ্বৈরথের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। কিন্তু আমার বক্তব্যের সঙ্গে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতার কোনও সম্পর্ক নেই।
আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলছি। কেউ যদি মনে করেন আমার বক্তব্য ভুল, তাহলে তাঁরা তথ্য ও ঘটনার ভিত্তিতে সেটার প্রতিবাদ করুন। আমার পিছনে কোনও তৃতীয় পক্ষকে কল্পনা করে নেওয়া উচিত নয়।
প্রশ্ন: কলকাতায় এত কঠিন অভিজ্ঞতার পরেও কি আপনি ভবিষ্যতে ভারতের অন্য কোনও ক্লাবের কোচ হতে চাইবেন?
অস্কার ব্রুজোঁ: অবশ্যই। ভারত বা ভারতীয় ফুটবল নিয়ে আমার কোনও সমস্যা ছিল না। ভারত আমার পেশাদার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং সেখানে কাজ করা খেলোয়াড়, সমর্থক এবং মানুষদের প্রতি আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধা রয়েছে। কলকাতাও আমাকে ফুটবলের দিক থেকে অসাধারণ কিছু অভিজ্ঞতা দিয়েছে। একটি কঠিন প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কের অভিজ্ঞতা দিয়ে গোটা দেশ বা লিগকে বিচার করা যায় না। ভবিষ্যতে যদি সঠিক পেশাদার প্রকল্প আসে, যেখানে দায়িত্ব স্পষ্ট, ফুটবল নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং পারস্পরিক বিশ্বাস থাকে, তাহলে ভারতে আবার কাজ করার বিষয়টি আমি অবশ্যই বিবেচনা করব।
প্রশ্ন: আপনার দুই সহকারী কোচ নাকি বকেয়া অর্থের দাবিতে FIFA-র কাছে অভিযোগ করেছেন। আপনারও কি কোনও টাকা বাকি রয়েছে? আপনিও কি FIFA-র কাছে অভিযোগ করার পরিকল্পনা করছেন?
অস্কার ব্রুজোঁ: আমার স্টাফদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়গুলি তাঁদের নিজস্ব চুক্তিগত ব্যাপার (Oscar Bruzon Interview)। তাঁরা যদি মনে করেন তাঁদের টাকা পাওনা রয়েছে, তাহলে উপযুক্ত আইনি এবং ফুটবল সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজেদের দাবি জানাবেন। আমি তাঁদের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি। আমার নিজের বিষয়েও আমি সুনির্দিষ্ট থাকতে চাই, কারণ চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ সংবাদপত্রের শিরোনামের মাধ্যমে পরিচালনা করা উচিত নয়।
যদি কোনও চুক্তিগত দায়বদ্ধতা বা পাওনা থেকে থাকে, তাহলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্রের ভিত্তিতে সমাধান করা হবে। আমি FIFA-কে প্রকাশ্যে হুমকি হিসেবে ব্যবহার করতে চাই না। চুক্তি সংক্রান্ত বিরোধ পেশাদারভাবে সমাধানের জন্যই FIFA-র নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলে যা ঘটেছে, তা নিয়ে আমার সমালোচনা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বিষয় নয়। যদি বিষয়টি শুধুই বকেয়া টাকা নিয়ে হত, তাহলে পুরো আলোচনাটাই অনেক সহজ হতো।



