Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তানের সাম্প্রতিক অস্ত্র রফতানি আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র নজরদারির মুখে পড়েছে। পাকিস্তানের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ অস্ত্র রফতানি হিসেবে চিহ্নিত এই কনসাইনমেন্ট লিবিয়ার সঙ্গে হওয়ায় বিতর্ক আরও গভীর হয়েছে(Pakistan)। কারণ লিবিয়ার ওপর দীর্ঘদিন ধরেই জাতিপুঞ্জ অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে। সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পাকিস্তান এই অস্ত্র রফতানি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
একাধিক দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি পাকিস্তানের (Pakistan)
এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত এক বছরে পাকিস্তান আজারবাইজান ও জিম্বাবোয়ের মতো একাধিক দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সম্পন্ন করেছে। ইসলামাবাদ এই চুক্তিগুলিকে নিজেদের প্রতিরক্ষা শিল্পের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরলেও, নয়াদিল্লির মতে এর পিছনের ভিন্ন কাহিনী রয়েছে।
পাকিস্তানের দাবি নিয়ে ভারতের অভিযোগ (Pakistan)
ভারত অভিযোগ করেছে, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের প্রতিরক্ষা ক্ষমতার কথা বাড়িয়ে বলে চলেছে। ভারতের প্রতিরক্ষা মহলের দাবি, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বড় অংশই চিন ও তুরস্কের মতো দেশের সঙ্গে যৌথ উৎপাদনের উপর নির্ভরশীল, যা স্বনির্ভরতার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেয়।
অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে চিনের সহায়তা (Pakistan)
ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহুল আর সিং গত বছর এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে বলেন, অপারেশন চলাকালীন চিন পাকিস্তানকে “সব ধরনের সম্ভাব্য সহায়তা” প্রদান করেছে। এর মধ্যে ছিল রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য, স্যাটেলাইট নজরদারি এবং কৌশলগত সহায়তা।
আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ে প্রশ্ন (Pakistan)
ভারতীয় প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, তুরস্ক পাকিস্তানকে ড্রোন ও অস্ত্র সরবরাহ করে, যা সংঘর্ষের সময় ব্যবহৃত হয়। এই সব তথ্য সামনে আসার পর দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।



