Last Updated on [modified_date_only] by Megha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুভাংশু শুক্লার সাফল্যে মহাকাশ নিয়ে উৎসাহ এবং আগ্রহ বেড়েছে দেশে(Space Sector)। রবিবার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে এমনটাই জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।একই সঙ্গে তিনি জানান, গ্রামের প্রান্তিক মানুষ, দরিদ্র এবং মেয়েদের খেলাধুলোর আঙিনায় আনার লক্ষ্যেই নতুন ক্রীড়ানীতি তৈরি হচ্ছে। ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে সুপারপাওয়ার হিসাবে তুলে ধরবে এই নতুন ক্রীড়ানীতি।
শুভাংশু শুক্লার সাফল্য (Space Sector)
নিজের মাসিক রেডিও অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুভাংশু শুক্লা মহাকাশ থেকে ফেরার পরে এই বিষয়ে বহু আলোচনা চলছে(Space Sector)। শুভাংশু নির্বিঘ্নে পৃথিবীতে পা রাখার পরেই প্রতিটি হৃদয়ে আনন্দের ছোঁয়া দেখা গিয়েছে। গোটা দেশ আজ গর্বিত।’ তারপরেই পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে মহাকাশ ক্ষেত্রে ৫০টিরও কম স্টার্টআপ ছিল। আর আজ ২০০-র বেশি স্টার্টআপ রয়েছে মহাকাশ ক্ষেত্রে।’ গত ২৫ জুন স্পেসএক্সের ‘ড্রাগন’ মহাকাশযানে চড়ে আইএসএস-এর উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিলেন ভারতীয় নভশ্চর শুভাংশু। সঙ্গে ছিলেন অ্যাক্সিয়ম-৪-এর ক্রু-কমান্ডার পেগি হুইটসন, মিশন বিশেষজ্ঞ স্লাওস উজানস্কি-উইজনিউস্কি এবং টিবর কাপু। ১৮ দিন মহাকাশে কাটানোর পর গত ১৫ জুলাই আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলে নামেন তাঁরা।

দেশের স্বাধীনতা (Space Sector)
স্বাধীনতা দিবসের আগে এটিই প্রধানমন্ত্রী মোদীর শেষ ‘মন কি বাত’(Space Sector)। তাই তাঁর বক্তৃতায় ছিল দেশের স্বাধীনতার প্রসঙ্গও। তিনি অগস্ট মাসকে ‘বিপ্লবের মাস’ বলে অভিহিত করেন। বলেন, ‘১৫ অগস্ট আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কথা মনে করিয়ে দেয়।’ এই প্রসঙ্গে ক্ষুদিরাম বসুর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, ‘১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে এক যুবককে ফাঁসিকাঠে ঝোলানো হয়। কিন্তু তিনি ভীত ছিলেন না। তাঁর মুখে ছিল পূর্ণ আত্মবিশ্বাস। তিনি হলেন ক্ষুদিরাম বসু। মাত্র ১৮ বছর বয়সে তিনি গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন।’ প্রধানমন্ত্রী মোদীর বক্তৃতায় উঠে আসে স্বদেশি আন্দোলনের প্রসঙ্গও। সেই সূত্রেই দেশে হস্তশিল্পের উন্নতির কথা বলেন তিনি।
আরও পড়ুন-Bangladesh Election: বাংলাদেশে নির্বাচন কবে? খুব শীঘ্রই ঘোষণা করতে পারেন ইউনূস
নতুন ক্রীড়া নীতি (Space Sector)
‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন জাতীয় ক্রীড়ানীতি খেলাধুলোকে গ্রামীণ এলাকায় বাসিন্দাদের জীবনযাপনের অঙ্গ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করবে(Space Sector)। ক্রীড়াক্ষেত্রে ভারতকে সুপারপাওয়ার হিসাবে তুলে ধরবে এই নতুন ক্রীড়ানীতি। তাঁর কথায়, ‘গ্রাম, গরিব এবং আমাদের মেয়েরাই খেলো ভারত নীতিতে সবচেয়ে প্রাধান্য পাবেন। স্কুল এবং কলেজগুলি খেলাধুলোকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ বানিয়ে ফেলবে।’ প্রধানমন্ত্রীর দাবি, নতুন ক্রীড়া নীতিতে খেলা সম্পর্কিত স্টার্টআপ গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সেটা স্পোর্টস ম্যানেজমেন্টের হোক বা ক্রীড়া সরঞ্জাম উৎপাদক সংস্থার স্টার্ট আপ হোক। এই সব স্টার্ট আপকে সাহায্য করবে সরকার।প্রধানমন্ত্রীর দাবি, বহু প্রান্তিক এলাকার অ্যাথলিট তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। সকলেই খেলো ভারত নীতির প্রশংসা করেছেন। এই নীতির উদ্দেশ্য স্পষ্ট, ভারতকে ক্রীড়াক্ষেত্রে সুপার পাওয়ার হিসাবে তুলে ধরা।

আরও পড়ুন-Tej Pratap Yadav: বিহার রাজনীতিতে নতুন টুইস্ট! ভোটে লড়ছেন ত্যাজ্য লালু-পুত্র, কোন দলের প্রার্থী?
ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদল (Space Sector)
সদ্যই ভারতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রের সার্বিক কাঠামো বদলের লক্ষ্যে বড়সড় পদক্ষেপ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার(Space Sector)। জাতীয় ক্রীড়া নীতি ২০২৫-এ অনুমোদন দিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। ২০০১ সালের যে পুরনো ক্রীড়ানীতি ছিল, সেটাকে বাতিল করে নতুন রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এনএসপি ২০২৫-এর মূল লক্ষ্য ভারতকে বিশ্বের ক্রীড়াজগতে শক্তিশালী করে তোলা ও ২০৩৬-র অলিম্পিক-সহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজন করা। মহিলা, উপজাতি সম্প্রদায়, বিশেষভাবে সক্ষম ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসরদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে এই ক্রীড়ানীতির অধীনে।



