Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সময় মাত্র এক মাস, কিন্তু তাতে কি? এই অল্প সময়ের কঠোর অনুশীলনেই বাজিমাত করলেন মা, ছেলের জুটি (Powerlifting)। জিতলেন ছয়টি সোনা।
Powerlifting
বয়স যে কোনও বাধা নয় কোনও কাজের ক্ষেত্রে সেটা প্রমাণ করে দিলেন সোনিপথের মা, ছেলের জুটি। ৪০ বছরের জ্যোতি, পেশায় স্কুলশিক্ষিকা এবং তাঁর ১৬ বছরের ছেলে, দুইজনেই পাওয়ারলিফটিং (Powerlifting) চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতলেন। এই প্রথম এই জেলা থেকে কোনও মা, ছেলের জুটি একসঙ্গে সোনা জিতলেন। নিজেদের শহরে ফেরার পরই তাঁদের বরণ করে নেওয়া হয়।
গুজরাতের মেহসানাতে এই ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে নিজেদের শক্তি ও দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় দেন এই মা, ছেলের জুটি। জিমে বহুদিন ধরেই জ্যোতি ওয়ার্কআউট করলেও, চ্যাম্পিয়নশিপের মাত্র একমাস আগে থেকেই কিন্তু ভারোত্তোলন করা শুরু করেন জ্যোতি। ২০ কেজির রড থেকে ভারোত্তোলনে ২০০ কেজির মতো ওজন উত্তোলনের জন্য যে কঠোর মানসিকতা এবং পরিশ্রম লাগে সেটাই প্রমাণ করলেন এই জুটি (Powerlifting)। দুজনেই যে দুজনের সাপোর্ট এবং শক্তি সে কথা জানিয়েছেন মৌলিক।
আরও পড়ুন: Offbeat Places: অন্তিমের সন্ধানে, নিজের চোখে একবার দেখে আসবেন নাকি অন্তিম কিছু জায়গা?
এই পথ কিন্তু মতেই সহজ ছিল না, চ্যাম্পিয়শিপের আগে তাঁরা প্রায় পাঁচ-ছয় ঘণ্টা নিত্য অনুশীলন করতেন। সময় অল্প হলেও দুজনের মানসিক দৃঢ়তা এবং প্রস্তুতিতে কোনোরকম খামতি ছিল না। তার ফল হিসেবে প্রতিযোগিতায় তিনটি ভিন্ন বিভাগে সোনা জিতে নেন তাঁরা। ৪০ বছরের বিভাগ, ৬৩ কেজির বিভাগ এবং মিক্সড বিভাগে জ্যোতির ঝুলিতে সোনা আসে (Powerlifting)। তিনি ডেডলিফটে ৭০ কেজি, স্কোয়াটে ৭৫ কেজি এবং বেঞ্চ প্রেসে ৩০ কেজি ভারোত্তোলন করে তিন বিভাগে সোনা জেতেন।

মা’র থেকে কোনও অংশে পিছয়ে থাকে নি তাঁর ছেলে। ক্লাস ১১-র ছাত্র মৌলিকও তিন বিভাগে সোনা জেতে। সে ৬৩ কেজি ক্লাসের সাব জুনিয়র বিভাগে অংশগ্রহণ করে তিনটি সোনা জেতে। আরও চমকপ্রদ বিষয় হল মৌলিক কিন্তু এর আগে কোনওদিন ভারোত্তোলন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন নি (Powerlifting)। জীবনের প্রথম প্রতিযোগিতায় এই চমকপ্রদ সাফল্য যেন রচনা করেছে এক নতুন ইতিহাসের। মা, ছেলে জুটির এই সাফল্যের সঙ্গী এখন তাঁদের নিজস্ব জেলার সকল মানুষ। তাঁরা তাঁদের প্রাপ্য সম্মান দিয়ে ভরিয়ে দিয়েছেন।


