Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: QS World University Rankings 2027 প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে এশিয়ার উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তনের ছবি উঠে এসেছে। চিন বিশ্বসেরাদের মধ্যে নিজেদের অবস্থান আরও পাকা করেছে, অন্যদিকে ভারতের সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে উঠে এসেছে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (IIT) দিল্লি।
বিশ্বে প্রথম MIT, ভারতে দিল্লি IIT (QS World University)
বিশ্বব্যাপী র্যাঙ্কিংয়ে ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (MIT) টানা ১৫ বছর এক নম্বর স্থান ধরে রেখেছে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন এবং তৃতীয় স্থানে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি।
ভারতের ক্ষেত্রে এ বছর মোট ৫২টি বিশ্ববিদ্যালয় QS র্যাঙ্কিংয়ে জায়গা পেয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠান আগের তুলনায় উন্নতি করেছে বা নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। কেন্দ্রীয় সরকার এটিকে জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) 2020-এর ইতিবাচক প্রভাব বলে দাবি করছে।
দেশের মধ্যে শীর্ষস্থানের লড়াইয়ে টানা দ্বিতীয়বার সেরা হয়েছে IIT দিল্লি। পাঁচ ধাপ এগিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে ১১৮তম স্থানে পৌঁছেছে। এটি QS সূচকে কোনও ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ অর্জিত অবস্থানের সমতুল্য। বিশেষ করে Employer Reputation সূচকে IIT দিল্লি বিশ্বের ৩৯তম স্থানে রয়েছে।
অন্যদিকে IIT বোম্বে পাঁচ ধাপ পিছিয়ে ১৩৪তম স্থানে নেমে গেলেও চাকরিদাতাদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা এখনও অত্যন্ত বেশি। Employer Reputation বিভাগে ১০০-এর মধ্যে ৯৭.৮ স্কোর নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বে ৩২তম স্থানে রয়েছে। ভারতের তৃতীয় সেরা প্রতিষ্ঠান IIT মাদ্রাজ, যা ১০ ধাপ এগিয়ে ১৭০তম স্থানে উঠে এসেছে(QS World University)।
আরও পড়ুন: Pawan Kalyan: পবন কল্যাণকে নিয়ে বিতর্কিত কনটেন্টে রাশ, X-গুগল-মেটাকে আদালতের নির্দেশ
এদিকে চীন উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যাচ্ছে। পেকিং ইউনিভার্সিটি এশিয়ার সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্বে ১৩তম স্থানে রয়েছে। চীনের মোট ৮৫টি বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়ে স্থান পেয়েছে(QS World University)। গবেষণা, সরকারি বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা নীতির ফলে চীনের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলি ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রথম সারির প্রতিষ্ঠানের মধ্যে নিজেদের জায়গা পাকাপোক্ত করেছে।



