Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জন্মাষ্টমীর প্রায় ১৫ দিন পর শুক্লপক্ষের অষ্টমী (Radha Ashtami 2026) তিথিতে পালিত হয় রাধাষ্টমী। পুরাণ ও বৈষ্ণব পরম্পরায় এই দিনটি শ্রীরাধার জন্মতিথি হিসেবে বিশেষভাবে পালন করা হয়। বিশ্বাস অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের বারসানায় এই শুভ তিথিতেই আবির্ভাব হয়েছিল রাধার। রাধা-কৃষ্ণের প্রেমকাহিনি ভারতীয় সংস্কৃতিতে আজও গভীর আবেগের সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তবে তাঁদের কাহিনির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিচ্ছেদের বেদনা।
রাধার হৃদয়ে কৃষ্ণের স্মৃতি (Radha Ashtami 2026)
কংসবধের উদ্দেশ্যে বৃন্দাবন ছেড়ে মথুরার (Radha Ashtami 2026) পথে রওনা হওয়ার আগে কৃষ্ণ রাধাকে বিদায় জানান। সেই সময় রাধা তাঁকে বোঝান, শারীরিক দূরত্ব কখনও তাঁদের ভালোবাসাকে আলাদা করতে পারবে না। এরপর কংসবধ করে কৃষ্ণ মথুরা এবং পরে দ্বারকায় চলে যান। সেখানে তাঁর রাজ্য, সংসার ও নতুন জীবন তৈরি হলেও রাধার হৃদয়ে কৃষ্ণের স্মৃতি থেকে যায়।
দ্বারকার উদ্দেশে রাধা (Radha Ashtami 2026)
কাহিনির পরের অংশে বলা হয়, কৃষ্ণের বিরহে অস্থির হয়ে একদিন রাধা দ্বারকার উদ্দেশে বেরিয়ে পড়েন। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সেখানে পৌঁছে প্রাসাদে প্রবেশের সুযোগ পান। কৃষ্ণও তাঁকে চিনতে পারেন। তবে তাঁদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসেনি। রাধা প্রাসাদের এক দাসীর মতো থেকে দূর থেকেই কৃষ্ণকে দেখতেন।
আরও পড়ুন: BJP MLA Manab Guha: তোলাবাজির শাস্তি ‘ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মার’, বিজেপি বিধায়কের নয়া নিদান!
শেষ পর্যন্ত এই নীরব অপেক্ষাও তাঁর কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। তিনি দ্বারকা ছেড়ে চলে গেলে কৃষ্ণও তাঁর পিছু নেন। জীবনের শেষ মুহূর্তে রাধার ইচ্ছা ছিল কৃষ্ণের বাঁশির সুর শোনা। সেই সুর শুনতে শুনতেই তাঁর জীবনাবসান হয়। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, রাধার মৃত্যুর পর কৃষ্ণ বাঁশিটি ভেঙে ফেলে দেন। রাধাষ্টমীতে তাই তাঁদের প্রেমের পাশাপাশি চিরন্তন বিরহের কাহিনিও স্মরণ করা হয়।


