Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সংসদে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় যখন কংগ্রেস সাংসদ ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত বই থেকে ২০২০ সালের ভারত-চিন লাদাখ সংঘর্ষ সংক্রান্ত অংশ পড়ে শোনানোর চেষ্টা করেন। পরপর দ্বিতীয় দিনের মত স্পিকার ওম বিড়লা অনুমতি না দেওয়ায় পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে (Rahul Parliament)।
প্রতিবাদে একাধিক বিরোধী সাংসদ (Rahul Parliament)
রাহুল গান্ধীকে কথা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদে একাধিক বিরোধী সাংসদ প্রতিবাদে অংশ নেন। কেউ কেউ সংহতি জানিয়ে স্পিকারের ডাকে বক্তব্য রাখতেও অস্বীকার করেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে লোকসভা দিনের জন্য মুলতুবি ঘোষণা করা হয়। সংসদের ভেতরে কাগজ ছোড়াছুড়ির অভিযোগও ওঠে।
‘প্রতিবাদ করাই কি অপরাধ?’
ঘটনার পর কংগ্রেসের আটজন সাংসদ হিবি ইডেন, অমরিন্দর রাজা ওয়ারিং, মানিকম টাগোর-সহ চলতি অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য সাসপেন্ড হন। এক সাক্ষাৎকারে ওয়ারিং বলেন, “রাহুল গান্ধী নথিটি প্রমাণ করে জমা দিয়েছিলেন। তবুও তাঁকে বলতে দেওয়া হয়নি। এর প্রতিবাদ করাই কি অপরাধ?”
‘সংসদ ও গণতন্ত্রকে অপমান’ (Rahul Parliament)
অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “তিনি সংসদ ও গণতন্ত্রকে অপমান করেছেন। তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতীয় সেনাদের অসম্মান করা।” তাঁর অভিযোগ, বাজেটের পর বিরোধীদের আর কোনও ইস্যু নেই বলেই এমন আচরণ।
‘চুপ করাতে চাইছে বিজেপি’ (Rahul Parliament)
সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, লাদাখ ও চিন সংক্রান্ত সত্য সামনে আনতেই বিজেপি সরকার তাঁকে ‘চুপ করাতে’ চাইছে।
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও সমালোচনা (Rahul Parliament)
এদিকে রাহুল গান্ধী ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করেন, রাতারাতি চুক্তি চূড়ান্ত করে দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, কৃষি ও দুগ্ধ খাত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। এই ঘটনাকে ঘিরে সংসদের অচলাবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাত আরও গভীর হলো বলে মনে করা হচ্ছে।



