Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একসময় ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ (Rajanya Haldar) কাঁপিয়েছিলেন তাঁর বক্তৃতায়। যুবনেত্রী হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন রাজন্যা হালদার। সেই ভাইরাল মুখই এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে, তবে কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে নয়-নির্দল প্রার্থী হিসেবে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সোনারপুর দক্ষিণ ও আসানসোল দক্ষিণ-এই দুই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা করেছেন তিনি।
ফুলে ফুলেই সংঘর্ষ (Rajanya Haldar)
বৃহস্পতিবার জনসংগ্রাম মঞ্চের তরফে (Rajanya Haldar) একাধিক কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানেই জায়গা পান রাজন্যা। প্রার্থী ঘোষণার পরই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, একসময় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হলেও, বর্তমানে তিনি দুই প্রধান দল-তৃণমূল ও বিজেপি-উভয়ের বিরুদ্ধেই সরব।

দলের তরফে সাসপেন্ড
রাজন্যার রাজনৈতিক পথচলায় বিতর্ক নতুন নয়। আরজি কর-কাণ্ডের আবহে ‘তিলোত্তমা’দের প্রতিবাদ নিয়ে একটি শর্ট ফিল্ম তৈরি করেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তৎকালীন যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার সহ-সভানেত্রী পদ থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। তবে চাপের মুখেও নিজের অবস্থান থেকে সরেননি রাজন্যা। শর্ট ফিল্ম প্রকাশে অনড় ছিলেন তিনি।

আরও পড়ুন: Yuva Sathi Payment Failed: যুবসাথীর টাকা না পেলে কী করবেন?
জোড়াফুলের সঙ্গে দূরত্ব
এরপর ধীরে ধীরে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়তে থাকে। কসবার ল’ কলেজে গণধর্ষণ-কাণ্ড ঘিরে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। এমনকি ছাত্র সংগঠনের ভেতরে অপপ্রচার নিয়েও সরব হয়েছিলেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে তাঁর অবস্থান আরও জটিল হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালের শেষে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনাও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে শেষ পর্যন্ত স্বাধীন পথই বেছে নিলেন রাজন্যা। এবার নির্বাচনী ময়দানে তাঁর লড়াই কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই দেখার।



