Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: উৎসবের মরসুমে রেলকর্মীদের (Railway Diwali Bonus) মুখে হাসি ফোটাল মোদি সরকার। দুর্গাপুজো আর নবরাত্রির মাঝেই এল সুখবর-চলতি বছরে ৭৮ দিনের সমপরিমাণ প্রোডাক্টিভিটি লিঙ্কড বোনাস (PLB) পেতে চলেছেন ভারতীয় রেলের প্রায় ১০.৯১ লক্ষ নন-গেজেটেড কর্মচারী। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাবে সিলমোহর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
উৎসবের উপহার (Railway Diwali Bonus)
রেল মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মীদের পরিশ্রম ও উৎপাদনশীলতায় (Railway Diwali Bonus) ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি দিতেই এই সিদ্ধান্ত। এই বোনাস বাবদ মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮৬৫.৬৮ কোটি টাকা। চলতি বছরের দুর্গাপুজোর মুখে এই ঘোষণা নিঃসন্দেহে রেলকর্মীদের জন্য এক বড় উৎসবের উপহার।
এবারও উৎসবের আগেই বোনাস (Railway Diwali Bonus)
রেলের PLB বোনাস (Railway Diwali Bonus) নতুন নয়। প্রতি বছর দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস প্রদান করা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে কর্মীদের উৎসাহ বাড়ানো এবং কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আরও সুদৃঢ় করা হয়। গত বছর এই বোনাস পেয়েছিলেন ১১.৭২ লক্ষ রেলকর্মী, যার জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ২০২৮.৫৭ কোটি টাকা। তবে এ বছর কর্মীসংখ্যা কম হলেও বরাদ্দ অল্প কমেছে। এই PLB শুধুমাত্র সেই কর্মীদেরই দেওয়া হয়, যারা সরাসরি রেলের উৎপাদন বা সার্ভিস ডেলিভারিতে যুক্ত। অর্থাৎ উচ্চপদস্থ গেজেটেড অফিসারদের আওতার বাইরে এই বোনাস।
অন্যদিকে কড়াকড়ি দীপাবলির খরচে
রেলকর্মীদের জন্য যেখানে একদিকে উৎসবের মুখে বড় ঘোষণা, অন্যদিকে সাধারণ সরকারি খাতে খরচে এসেছে কঠোর নিয়ন্ত্রণ। দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসব উপলক্ষে সরকারি তহবিল ব্যবহার করে উপহার কেনায় এবার স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে অর্থ মন্ত্রক। সম্প্রতি কেন্দ্রের অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ এক স্মারকলিপি প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে-সব মন্ত্রক, বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি যেন আর কোনও উৎসব উপলক্ষে সরকারি অর্থে উপহার বা সম্পর্কিত সামগ্রী না কেনে। এই নির্দেশিকা ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Amit Shah: সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো প্যান্ডেলে অমিত শাহ, রাতেই আসছেন কলকাতায়
কী উদ্দেশ্য সরকারের?
সরকার বলছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং জনসাধারণের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা। স্মারকলিপিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, “জনগণের করের টাকায় উৎসব উপহার নয়, সেই টাকা বরং দেশের উন্নয়নেই ব্যয় হোক।”


