Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রাম মন্দিরকে ঘিরে দানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চলা তদন্তের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ। শুক্রবার রাম মন্দির ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রায় তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে CNN-News18(Ram Mandir Resign)। একই সঙ্গে ট্রাস্টের আরেক ট্রাস্টি অনিল মিশ্রও পদত্যাগ করেছেন।
তদন্তের মধ্যেই পদত্যাগ (Ram Mandir Resign)
এই পদত্যাগের একদিন আগেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) এই মামলায় আটজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন চম্পত রায়ের চালক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগী রামাশঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নু। এছাড়া গ্রেফতার হয়েছেন অনুকল্প মিশ্র, লাভকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্ল, রামশঙ্কর মিশ্র, মনীশ যাদব, সুভাষ চন্দ্র শ্রীবাস্তব এবং করুণেশ পাণ্ডে।
রাম মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগের তদন্তে চলতি মাসেই SIT গঠন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার এই মামলায় এফআইআর দায়ের করা হয়। তদন্তকারী সংস্থা এখনও চুরির নির্দিষ্ট অঙ্ক জানায়নি। তবে অভিযোগ, নগদ কয়েক কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে।
অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর প্রথমদিকে রাম মন্দির ট্রাস্ট তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিল। ট্রাস্টের দাবি ছিল, এটি রাম মন্দিরের ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং কোটি কোটি ভক্তের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে করা ষড়যন্ত্র।
রাম মন্দিরের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশে বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধীরা বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে।
সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র মোহাম্মদ আজম দাবি করেছেন, “আজ প্রমাণিত হয়েছে যে রাম মন্দিরে চুরি হয়েছে। এটি রামভক্তদের জয়।”
অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজনৈতিক দলগুলিকে বিষয়টি নিয়ে রাজনীতি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সরকার প্রথম দিন থেকেই সত্য উদঘাটনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তদন্ত নিরপেক্ষভাবে এগোবে। তাঁর কথায়, “রামভক্তদের বিশ্বাস নিয়ে খেলবেন না। কারও কাছে যদি প্রমাণ থাকে, তা SIT-এর কাছে জমা দিন। সরকার এই ঘটনায় শূন্য-সহনশীলতার নীতি অনুসরণ করছে(Ram Mandir Resign)।”
আরও পড়ুন: OP Sindoor: অপারেশন সিঁদুর: প্রথমবার শহীদ ৬ জওয়ানের নাম প্রকাশ করল কেন্দ্র
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি CNN-News18 ও NDTV-সহ প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি(Ram Mandir Resign)। তদন্ত এখনও চলছে এবং অভিযোগগুলির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালত বা তদন্তের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।



