Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রাম মন্দিরে দানের অর্থ তছরুপের অভিযোগ ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) গঠন করেছে(Ram Mandir Scam)।
কীভাবে শুরু বিতর্ক? (Ram Mandir Scam)
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব দাবি করেন, রামমন্দিরে ভক্তদের দেওয়া কোটি কোটি টাকার অনুদানের একটি অংশের হিসাব মিলছে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দান গণনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করা হচ্ছে না কেন।
ট্রাস্টের জবাব
শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট অভিযোগ অস্বীকার করে জানায়, নিয়মিত অডিটে কোনও গরমিল ধরা পড়েনি। ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রায় বলেন, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই হিসাব পরীক্ষা করা হয়।
বিজেপির ভিতরেও প্রশ্ন
অযোধ্যার বিজেপি নেতা রজনীশ সিং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে মন্দিরে প্রাপ্ত সমস্ত অনুদানের তথ্য প্রকাশের দাবি জানান। প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিংও অনিয়মের ইঙ্গিত দেন। বিজেপির প্রবীণ নেতা বিনয় কাটিয়ার কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
গ্রেফতার ও নতুন মোড়
তদন্ত চলাকালীন মন্দিরের দান গণনার কাজে যুক্ত দুই কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের একজন লব কুশ মিশ্রের বাড়ি থেকে ১০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ওই অর্থ দান তছরুপের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
SIT কী খতিয়ে দেখছে? (Ram Mandir Scam)
তিন সদস্যের SIT দান সংগ্রহ ও গণনার পুরো প্রক্রিয়া পরীক্ষা করছে। তারা সিসিটিভি ব্যবস্থা, নিরাপত্তা প্রোটোকল, কর্মীদের যাতায়াতের নথি এবং দানের হিসাবপত্র খতিয়ে দেখছে। ইতিমধ্যে একাধিক ট্রাস্ট সদস্য ও কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Indo Hormuz LNG Ship: হরমুজ পেরোল ভারতীয় LNG জাহাজ ‘দিশা’, আটকে থাকা ৩৪ জাহাজে আশার আলো
বিপুল অনুদান (Ram Mandir Scam)
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উদ্বোধনের পর থেকেই রামমন্দিরে বিপুল অনুদান এসেছে। প্রথম দিনেই জমা পড়ে প্রায় ৩.১৭ কোটি টাকা। ট্রাস্টের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে মোট আয় ছিল প্রায় ৩২৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে ১৫৩ কোটি টাকা এসেছে দান থেকে। তদন্তের রিপোর্টের দিকেই এখন নজর সবার।



