Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিঘার পর উত্তরবঙ্গে ধর্মীয় পর্যটনকে আরও মজবুত করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী শিলিগুড়ির অদূরে মহাকাল মন্দির নির্মাণের প্রস্তাবে চূড়ান্ত অনুমোদন দিল রাজ্য মন্ত্রিসভা(Religious Tourism)। সোমবারের বৈঠকে মন্দির নির্মাণের জন্য ১৭.৪১ একর জমি বরাদ্দে সিলমোহর পড়েছে। এর ফলে উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক ট্যুরিজমে নতুন দিশা খুলে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মহাকাল মন্দিরের জন্য জমি মঞ্জুর (Religious Tourism)
মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে জানানো হয়েছে, মাটিগড়া থানা এলাকায় মোট ২৫.১৫ একর জমি, যা এতদিন লক্ষ্মী টাউনশিপ অ্যান্ড হোল্ডিংস লিমিটেডের অধিকারে ছিল, তা শিলিগুড়ি–জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এসজেডিএ) হাতে হস্তান্তর করা হবে। এই জমির মধ্যে ১৭.৪১ একর পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত অংশই মন্দির নির্মাণে ব্যবহার করা হবে।
পর্যটক আকর্ষণের চেষ্টা (Religious Tourism)
জমিটি প্রথমে ভূমি ও ভূমি-রাজস্ব দপ্তর হয়ে এসজেডিএ-র অধীনে আসবে। এরপর তা পর্যটন দপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হবে মন্দির নির্মাণের জন্য। এখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেমন পর্যটকরা সহজেই আসতে পারবেন, তেমনি দেশ–বিদেশ থেকেও পর্যটক আকর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: Birbhum: বোলপুরে ফের র্যাগিংয়ের আতঙ্ক! ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রের উপর ভয়ানক নির্যাতনের অভিযোগ
ডাবগ্রামে কনভেনশন সেন্টার (Religious Tourism)
একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভা আরেকটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিলিগুড়ির ডাবগ্রামে ১০ একর জমি চিহ্নিত করে একটি আন্তর্জাতিক মানের কনভেনশন সেন্টার নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি উৎসধারা উদ্যোগের তিস্তা টাউনশিপ এলাকায়, এশিয়ান হাইওয়ে সংলগ্ন অঞ্চলে গড়ে তোলা হবে।
উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পে নতুন গতি (Religious Tourism)
মহাকাল মন্দির নির্মাণের ফলে উত্তরবঙ্গের পর্যটন শিল্পকে নতুন গতি দেবে বলেই প্রশাসনিক মহলের দাবি। মন্দির ও কনভেনশন সেন্টার—দুটি বড় প্রকল্প একসঙ্গে এগোলে উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও একে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি রাজ্য বিধান সভার চিপ হুইপ শংকর ঘোষ।



