Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নাইজারের উত্তরাঞ্চলের সাহারা মরুভূমিতে এক দু্র্ঘটনায় অন্তত ৪৯ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে(Sahara Death)।
জলের অভাবে তৃষ্ণায় মৃত্যু (Sahara Death)
স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, ট্রাক বিকল হয়ে যাওয়ার পর কয়েক দিন ধরে পানীয় জলের অভাবে তারা “তৃষ্ণায় মারা যান”। ঘটনাটি ঘটেছে নাইজারের আগাদেজ অঞ্চলের একটি প্রত্যন্ত মরুভূমি এলাকায়।
আগাদেজ গভর্নরেটের ফেসবুক পোস্ট অনুযায়ী, নিহতরা মালির দিক থেকে নিজ দেশে ফিরছিলেন। ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদ্যাপন করতে তারা নাইজারে ফিরছিলেন। কিন্তু যাত্রাপথে তাদের ট্রাকটি মরুভূমির মাঝখানে বিকল হয়ে পড়ে। ফলে যাত্রীরা দীর্ঘ সময় সেখানে আটকে থাকেন এবং ধীরে ধীরে মজুত জল শেষ হয়ে যায়।
প্রশাসনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আগাদেজের আসামাকা শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আসামাকা নাইজার-আলজেরিয়া সীমান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ এবং এটি মালির সীমান্তের কাছেও অবস্থিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চালক, তার সহকারীরা এবং যাত্রীরা ট্রাকটি মেরামতের চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়। জলের অভাব, তীব্র গরম এবং আশপাশে কোনও সরবরাহ কেন্দ্র না থাকায় পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ যাত্রী মরুভূমিতেই প্রাণ হারান।
তবে দু’জন যাত্রী অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। তারা প্রায় ৫০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ হেঁটে একটি জলস্রোতের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হন। পরে আসামাকায় গিয়ে কর্তৃপক্ষকে ঘটনার খবর দেন। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
আগাদেজ অঞ্চলের গভর্নর জেনারেল ইব্রা বুলামা ইসার নেতৃত্বে পাঠানো প্রতিনিধি দল জানায়, ট্রাকটি মালির তালহানদেক এলাকা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এবং সাত দিন পথ চলার পর বিকল হয়ে যায়। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলে বহু মরদেহ ট্রাকের নিচে ও আশপাশে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে নিহতদের গণকবরে দাফন করা হয়(Sahara Death)।
আরও পড়ুন: Shyamaprasad Idol: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা: শহরে ১২৫ ফুটের মূর্তি বসানোর উদ্যোগ
সাহারা মরুভূমির এই অঞ্চলটি আফ্রিকা থেকে ইউরোপগামী অভিবাসীদের একটি পরিচিত ট্রানজিট রুট(Sahara Death)। প্রতিবছর বহু মানুষ তৃষ্ণা, অনাহার ও চরম আবহাওয়ার কারণে সেখানে প্রাণ হারান।



