Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতোর (Aniket Mahato) পোস্টিং মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা খেল রাজ্য। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জেকে মহেশ্বরী ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ জানিয়ে দিল, কলকাতা হাইকোর্টের আদেশে কোনও হস্তক্ষেপ নয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে ওই নির্দেশ কার্যকর করতে হবে রাজ্যকে। অর্থাৎ, রায়গঞ্জ নয়, অনিকেতকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজেই পোস্টিং দিতে হবে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অভিযোগ (Aniket Mahato)
আরজি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো, দেবাশিস হালদার এবং আসফাকুল্লা নাইয়াকে পোস্টিং দেওয়া হয় যথাক্রমে রায়গঞ্জ, মালদহের গাজোল ও হুগলির আরামবাগে। এই নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। যদি মেধাতালিকা অনুযায়ী কাউন্সেলিংয়ে পছন্দমতো পোস্টিং না-ই মিলবে, তাহলে সেই কাউন্সেলিংয়ের মানে কী? রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কেবল তাঁদের তিন জনকেই বেছে বেছে দূরে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিন চিকিৎসক।
গত সেপ্টেম্বরে হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু অনিকেত মাহাতোকে (Aniket Mahato) আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগেই পোস্টিং দিতে নির্দেশ দেন। বিচারপতি নির্দেশ দিতে গিয়ে বলেন, অনিকেতের পোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে রাজ্য ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিয়োর’ মানেনি। সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী সমানাধিকারের অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। তাই অনিকেতকে রায়গঞ্জ নয়, আরজি করে অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগেই পোস্টিং দিতে হবে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। কিন্তু বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চেও বিচারপতি বসুর সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখেন।
আরও পড়ুন:Patties Seller Beaten: গীতাপাঠের মাঠে প্যাটিস ফেলে দিয়ে বিক্রেতাকে মার, গ্রেফতার ৩!
এরপর সুপ্রিম কোর্টে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন (SLP) দাখিল করে রাজ্য। সেই মামলাতেই বৃহস্পতিবার বড় ধাক্কা খেল রাজ্য। সেই এসএলপি খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে কোনও রকম হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিমকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু অনিকেতকে (Aniket Mahato) আরজি করে পোস্টিংয়ের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাই বহাল রাখল সুপ্রিমকোর্টও।


