Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনে সবার নজর ছিল রেপো রেটের দিকে। সেই রেট বদল না হলেও পতন গোল দুই বেঞ্চমার্ক ইনডেক্সের (Sensex and Nifty50)।
লাল গ্রাফে থামল দালাল স্ট্রিট (Sensex and Nifty50)
চলরী সপ্তাহে দালাল স্ট্রিট জুড়ে ছিল অনিশ্চিয়তার মেঘ। টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে গেছে দেশের শেয়ার মার্কেট। শেষ ট্রেডিং সেশনে লগ্নিকারীদের নজর ছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ঘোষণার দিকে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মুদ্রানীতির বৈঠকের শেষেও মার্কেটের দোলাচল কাটল না (Sensex and Nifty50)।
রেপো রেটে বদল না আনলেও যে ঘোষণা লগ্নিকারীদের মধ্যে ভয় ধরিয়েছে সেটা হল মূল্যবৃদ্ধি এববং জিডিপি গ্রোথ। সেই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। এরপরেই ধাক্কা খায় দালাল স্ট্রিট। দুই বেঞ্চমার্ক সূচক হতে থাকে নিম্নগামী। সপ্তাহের শেষ ট্রেডিং সেশনে পজিটিভ হয়ে শুরু করলেও শেষ করল লাল গ্রাফে।
শুক্রবারের ট্রেডিং সেশনে সেনসেক্স কমেছে ১১৬ পয়েন্ট বা ০.১৫ শতাংশ আর এর জেরে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের বেঞ্চমার্ক ইনডেক্স রয়েছে ৭৪,২৪৩ পয়েন্টে। অন্য দিকে এ দিন নিফটি৫০ ৫০ পয়েন্ট বা ০.২১ শতাংশ পতনের পরে রয়েছে ২৩,৩৬৭ পয়েন্টে। শেষ ট্রেডিং সেশনে এই পতনের প্রবণতা এড়িয়ে যেতে পারেনি স্মল ক্যাপ এবং মিড ক্যাপ ইন্ডেক্সগুলি। নিফটি স্মল ক্যাপ ২৫০ ইনডেক্স ফ্ল্যাট রয়েছে। অন্যদিকে নিফটি মিড ক্যাপ ১০০ ইনডেক্স কমেছে ০.৩৫ শতাংশ (Sensex and Nifty50)।
তবে মিক্সড পারফরম্যান্স দেখা গেছে সেক্টরাল ইন্ডেক্সগুলিতে। নিফটি-তে মিডিয়া, রিয়েলটি, পিএসইউ ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক, ফার্মা, এফএমসিজি, ফিনানশিয়াল সার্ভিসের মতো সেক্টরগুলিতে পজিটিভ দেখা গেছে। তবে পতন দেখা গেছে মেটাল, ক্যাপিটাল মার্কেট, আইটি, কমোডিটিজ়, অয়েল অ্যান্ড গ্যাস, ট্যুরিজম, ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মতো অধিকাংশ সেক্টরাল ইনডেক্সের।
আরও পড়ুন: Anirban Bhattacharya: গ্রেফতার স্বরূপ বিশ্বাস, কী বললেন অনির্বাণ?
শুক্রবার বাজারের পরিস্থিতির বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ‘মুদ্রানীতি কমিটির সিদ্ধান্ত বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় দেশের শেয়ার বাজার প্রায় ফ্ল্যাট অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। পতন হলেও মাত্রা কম। তবে আরবিআই গভর্নরের ঘোষিত কিছু সহায়ক পদক্ষেপের ফলে রুপি শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে, অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমানো এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ে সতর্ক অবস্থান নেওয়ার কারণে লগ্নিকারীরা স্বল্পমেয়াদি চাহিদা ও কর্পোরেট আয়ের সম্ভাবনা নতুন করে মূল্যায়ন করেছেন। তার ফলেই বাজারে প্রফিট বুকিং দেখা গিয়েছে। রুপির শক্তিশালী হওয়া স্বল্পমেয়াদে বাজারের সেন্টিমেন্টে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কিন্তু মূল্যস্ফীতির চাপ এবং বন্ডের উচ্চ ইয়েল্ড বিদেশি ও দেশীয় উভয় ধরনের লগ্নির উপরই চাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (Sensex and Nifty50)।’
(শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ সংক্রান্ত কোনও মত আমাদের নেই, এই লেখাটা শুধু তথ্যের জন্য। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। এতে আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে তাই বিনিয়োগ করার আগে মার্কেট সম্পর্কে ভাল করে জেনে নেওয়া দরকার। তাছাড়াও বিনিয়োগের আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।)


