Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের কাছে লজ্জাজনক হারের পর নকভিকে অজ্ঞ ও অযোগ্য বলে অভিহিত করলেন শোয়েব আখতার (Shoaib Akhtar)।
নকভিকে একহাত নিলেন শোয়েব (Shoaib Akhtar)
ভারতের কাছে ৬১ রানে হারের পর পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্স নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন পেসার শোয়েব আখতার। দলের এই অবক্ষয়ের কারণে একহাত নিলেন নকভিকে। পাকিস্তানের এই অসহায় আত্মসমর্পণ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পাক প্রাক্তন তারকা বলার শোয়েব। ১৫ ফেব্রুয়ারি এই মেগা ম্যাচে ভারতের জয়ের ফলে ভারত-পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টিতে হেড টু হেড বর্তমানে ৮–১। যা শুধু সংখ্যা না লজ্জারও পাকিস্তানের জন্য (Shoaib Akhtar)।
একটি মাত্র ম্যাচ পাকিস্তান জিতেছিল ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ম্যাচে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশ আখতার বলেন, ‘আমরা একবারের জন্যও ম্যাচে ছিলাম না। শাহিন খেলেছে ঠিকই, কিন্তু সে ১২৫ কিমি গতিতে বল করছিল। আধুনিক ক্রিকেটে এটা মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের প্রতিভা চাপ সামলাতে পারবে না। গত ১৫-২০ বছরে কোনও বিনিয়োগই হয়নি। এক সময় মাঠে আমরা ভারতের সঙ্গে লড়াই করতাম, আর আজ তাদের হারানোর স্বপ্নও দেখতে পারি না।’ এটা ঠিক যে এক সময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। কিন্তু ইদানিং ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই একপেশে ভারতের জয়।

তিনি এই হারের পর কড়া সমালোচনা করেন কিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নকভির। শোয়েব বলেন, ‘যিনি কিছুই জানেন না, তাঁকেই বোর্ডের চেয়ারম্যান বানানো হয়েছে। তাহলে দল চলবে কীভাবে?’

নাম না করে বাবর আজমও আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ‘এমন একজন খেলোয়াড়কে সুপারস্টার বানানো হয়েছে, যার ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা তো দূর, বড় ইনিংস চাপের মুখে খেলতে পারে না। অযোগ্য মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়াই সবচেয়ে বড় অপরাধ।’ বাবর আজম এবং শাহিন আফ্রিদির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আরেক পাক প্রাক্তন তারকা শাহিদ আফ্রিদি (Shoaib Akhtar)।
আরও পড়ুন: Malda Awas: আবাস যোজনা থেকে নাম বাদ, সুরাহা না মেলায় মালদায় বিডিও অফিসেই বিষ খেলেন গৃহবধূ
এর পরবর্তীতে শোয়েব আখতার কভিকে ‘অযোগ্য’ ও অশিক্ষিত’ বলেও কটাক্ষ করেন। তিনি দাবি করেন, নকভি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হওয়ার যোগ্য নন। কলম্বোতে রবিবার ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরে বিধস্ত পাকিস্তান। এরপর ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সমর্থকদের ক্ষোভের মুখেও পড়তে হয়েছে পাকিস্তান দলকে। অনেকে আবার কটাক্ষ করে বলছেন যে এই ভাবে হারের থেকে বয়কট করলে পাকিস্তানের কম নাক কাটতো।
দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়ের মাঝে প্রাক্তন স্পিনার দানিশ কানেরিয়া এই সুযোগে পাকিস্তান দলের তীব্র সমালোচনা করেন এবং সলমন আলি আঘা নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান দলের পারফরম্যান্সকে কটাক্ষ করেন। এই ম্যাচ হারের ফলে এর পরের খেলা পাকিস্তানের কাছে ডু অর ডাই ম্যাচ। এখন দেখার এরপর পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা (Shoaib Akhtar)।


