Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইসিইউ-তে শুভমন গিল। করা হল এমআরআই। গঠন করা হয়েছে ৬ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড (Shubman Gill)। তবে গুরুতর আশঙ্কার কিছু নেই বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।
গিলের চোট নিয়ে বিতর্ক (Shubman Gill)
রাতে পাওয়া আপডেট অনুযায়ী, ঘাড়ের ব্যথা আরও বাড়ায় শুভমন গিলকে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি নার্সিংহোমের আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। নার্সিংহোমের একটি সিঙ্গল কেবিনে রয়েছেন গিল। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর বাবাও। তবে নার্সিংহোম সূত্রে খবর, ব্যথা থাকলেও আশঙ্কার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। গিলের চিকিৎসার জন্য ছয় সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। সেই বোর্ডে রয়েছেন দু’জন নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, একজন নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞ, একজন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, একজন ক্রিটিক্যাল কেয়ার এবং একজন জেনারেল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Shubman Gill)।

শনিবার বিকাল পাঁচটার সময় মাঠ থেকেই অ্যাম্বুলেন্সে করে ভারত অধিনায়ককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর এমআরআই করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। রবিবার গিল মাঠে নামতে পারবেন না বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। যা পরিস্থিতি তাতে গুয়াহাটিতে দ্বিতীয় টেস্টেও তাঁর খেলার সম্ভাবনা নিয়ে তৈরি হল প্রবল সংশয় (Shubman Gill)।

অপরদিকে, গিলের চোট পাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। জানা গিয়েছে, শনিবার সকালে মাঠে আসার পর থেকেই ঘাড়ের সমস্যায় ভুগছিলেন ভারত অধিনায়ক। তাই তিনি একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের খোঁজ করেছিলেন। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই মাঠে নামতে চেয়েছিলেন গিল। কিন্তু সেই সময় ইডেনে নাকি কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না। ফলে তা আর সম্ভব হয়নি। টিম ফিজিওই শুশ্রূষা করেন। তারপরই ওয়াশিংটন সুন্দর আউট হতে ব্যাট করতে নামেন গিল। কিন্তু তিন বল খেলার পরই ঘাড়ে স্প্যাজমের ব্যথা বাড়ে। মাঠেই দীর্ঘক্ষণ শুশ্রূষা করেন টিম ফিজিও। কিন্তু তাতে কোনও লাভ না হওয়ায় মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন গিল।
আরও পড়ুন: Pakistan: সংবিধান সংশোধনের গেরো: পাক বিচারবিভাগে পদত্যাগের লিস্ট লম্বা
যদিও সিএবি’র দাবি, বিসিসিআই-এর নিয়ম অনুযায়ী ম্যাচ চলাকালীন মাঠে স্পেশালিস্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ম্যাচ শুরুর অনেক আগেই গিল চিকিৎসকের খোঁজ করেছিলেন। সেইসময় ইডেনে এসে পৌঁছননি কোনও চিকিৎসক। ম্যাচ শুরুর আগেই মাঠে পৌঁছেছিলেন চিকিৎসকরা। গিলের চোট লাগার সময় সমস্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন এবং প্রস্তুত ছিল সবকিছুই। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন ভারতীয় ড্রেসিংরুম থেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। ড্রেসিং রুমেই নাকি গিলের চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন টিম ফিজিও। ব্যথা যাতে না বাড়ে তার জন্য নেক কলার পরিয়েও রাখা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু কোনও উন্নতি না হওয়ায়, অবশেষে বিকেল পাঁচটা নাগাদ মাঠ থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় গিলকে (Shubman Gill)।


