Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অনেকের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় ছিল (Sir Voter List), কিন্তু সময়ের সঙ্গে ঠিকানা বদলানো বা দীর্ঘদিন ভোট না-দেওয়ার কারণে তাঁদের নাম বর্তমান ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। অন্যদিকে, কেউ কেউ ২০০২ সালের তালিকায় ছিলেন না, কিন্তু তাঁদের বাবা-মা ছিলেন। পরবর্তীতে তাঁরা নতুন ঠিকানায় স্থানান্তরিত হয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ভোট না-দেওয়ায়, তাঁরাও বাদ পড়েছেন তালিকা থেকে। ফলে প্রশ্ন উঠছে এখন তাঁদের কাছে কি ‘এনিউমারেশন ফর্ম’ পৌঁছবে? নাকি তাঁরা বাদই থাকবেন ভোট প্রক্রিয়া থেকে?

প্রক্রিয়া কীভাবে চলছে (Sir Voter List)
রাজ্যে বর্তমানে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা ‘সার’ চলছে। এই প্রক্রিয়ায় বর্তমান ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বুথ লেভেল অফিসাররা এনিউমারেশন ফর্ম দিচ্ছেন। একই সঙ্গে অনলাইনেও ফর্ম পূরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে এই ফর্মটি শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ভোটারের জন্য তৈরি। তাই যাঁদের নাম বর্তমান তালিকায় নেই, তাঁরা এই ফর্ম পাচ্ছেন না।
যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের জন্য কী ব্যবস্থা? (Sir Voter List)
যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে কোনও কারণে বাদ পড়েছে, তাঁদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তাঁরা এখনও ভোটার হতে পারবেন। ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা।
এরপর নাগরিকরা ফর্ম-৬ পূরণ করে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন।
ফর্ম-৬ পাওয়া যাবে:
- রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইটে অনলাইনে
- জেলা নির্বাচন অফিস বা জেলাশাসকের দপ্তরে সরাসরি

নতুন ভোটারদের জন্যও একই নিয়ম (Sir Voter List)
যাঁরা আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ১৮ বছর পূর্ণ করবেন, তাঁরাও একই নিয়মে ফর্ম-৬ পূরণ করে ভোটার হতে পারবেন। আবেদন করার সময় তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র (কমিশনের নির্ধারিত ১১টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি) দিতে হবে। অতিরিক্তভাবে, যদি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আবেদনকারী বা তাঁর বাবা-মার নাম থাকে, সেটিও সহায়ক নথি হিসেবে দেওয়া যাবে। সব আবেদনই নির্বাচন রেজিস্ট্রেশন অফিসার শুনানি শেষে অনুমোদন করলে নাম অন্তর্ভুক্ত হবে চূড়ান্ত তালিকায়।

তথ্য সংশোধনের সুযোগ (Sir Voter List)
অনেকেই ২০০২ সালের লিঙ্কেজ যাচাই করতে গিয়ে দেখছেন, নাম, পদবি বা সম্পর্কের জায়গায় ভুল রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এনিউমারেশন ফর্মে সেই পুরনো তথ্য দিতে হচ্ছে। কিন্তু চিন্তার কিছু নেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন: “২০০২ সালের তালিকায় যা লেখা আছে, তা ফর্মে লিখতে হবে। তবে ফর্মের উপরের কলামে বর্তমান সঠিক তথ্য দিতে হবে। এরপর ৯ ডিসেম্বরের পরে ফর্ম-৮ জমা দিলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় সংশোধন হয়ে যাবে।” অর্থাৎ, নামের বানান, পদবি বা ঠিকানা সংশোধনের জন্য ফর্ম-৮ ব্যবহার করতে হবে।
আরও পড়ুন: Red Fort Blast 2025: পুলওয়ামার ডঃ উমরই কি সেই ‘মৃত স্টিয়ারিংম্যান’?
বিএলও-দের ভূমিকা ও সীমাবদ্ধতা
নতুন ভোটার নাম তোলার জন্য বিএলওদের হাতে ফর্ম-৬ রাখার কথা থাকলেও, বর্তমানে তা পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ, এখন তাঁদের প্রধান কাজ হচ্ছে ‘সার’-এর এনিউমারেশন ফর্ম বিতরণ ও সংগ্রহ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই ফর্ম-৬ সংক্রান্ত কাজ শুরু হবে। তাই ভোটারদের অনুরোধ করা হচ্ছে, ৯ ডিসেম্বরের পরে সংশ্লিষ্ট ফর্ম পূরণ করে আবেদন জানাতে।



