Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছাত্র বিক্ষোভে AK-47 ব্যবহারের জেরে এবার বড় পদক্ষেপ নিল বিহার সরকার। সিওয়ানের পুলিশ সুপার (SP) পূরণ কুমার ঝাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে(Siwan Contro)। বর্তমানে তাঁকে নতুন পোস্টিংয়ের অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, যে কনস্টেবল এই স্বয়ংক্রিয় রাইফেল চালিয়েছিলেন, তাঁকে আগেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
কী ঘটেছিল ২৫ জুলাই? (Siwan Contro)
দিল্লিতে ‘কাকরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র আন্দোলনের প্রভাব পড়েছিল বিহারের সিওয়ানেও। ২৫ জুলাই জেপি চকের কাছে বিক্ষোভ তীব্র রূপ নেয়। বিহার সরকার সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হলফনামায় জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের মাঝে আটকে পড়েন কনস্টেবল অভিষেক কুমার। আত্মরক্ষার্থেই তিনি শূন্যে চার রাউন্ড গুলি চালান। সরকারের দাবি, এই গুলিবর্ষণে কেউ আহত হননি।
তবে, সেদিনের ঘটনায় তিনজন বিক্ষোভকারী সামান্য জখম হওয়ার কথা স্বীকার করেছে রাজ্য। সরকারের সাফাই, যে স্থান থেকে একে-৪৭ চালানো হয়েছিল, আহতরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। ফলে এই রাইফেলের গুলিতে তাঁরা আহত হননি। এছাড়া, হাতি চকের কাছে ভিড় হঠাতে সহকারী সাব-ইনস্পেক্টর নিলেশ কুমার সিং তাঁর ৯ মিমি পিস্তল থেকে দুই রাউন্ড গুলি চালিয়েছিলেন বলেও জানানো হয়েছে।
বিরোধীদের তোপ ও রাজনীতি (Siwan Contro)
সমগ্র ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চরম পুলিশি বর্বরতার অভিযোগ উঠেছে। বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদব এই ঘটনায় সরাসরি প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য:
সাধারণ ছাত্র বিক্ষোভে কনস্টেবলের হাতে কীভাবে একে-৪৭-এর মতো মারাত্মক অস্ত্র এল?
কোন আর্মরি বা ইউনিট থেকে এই আধুনিক অস্ত্র ইস্যু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল?
অস্ত্র বরাদ্দের পেছনের পুরো কমান্ড চেইন বা শীর্ষ কর্মকর্তাদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে না কেন?
যদিও সুপ্রিম কোর্টে বিহার সরকারের দাবি, পুলিশ যথেষ্ট সংযম দেখিয়েছে এবং আন্দোলনকারীদের ওপর কোনো অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়নি(Siwan Contro)। তবে একে-৪৭-এর মতো আধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার রাজ্য রাজনীতির পারদ অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে।



