Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব (birthright citizenship) খর্ব করার প্রচেষ্টা এখন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে বড় আইনি লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এই মামলায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবী স্মিতা ঘোষ(Smita Ghosh)।
প্রতিবাদে স্মিতা ঘোষ (Smita Ghosh)
স্মিতা ঘোষ বর্তমানে কনস্টিটিউশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি সেন্টারের সিনিয়র অ্যাপিলেট কাউন্সেল হিসেবে কাজ করছেন। ইতিহাসে স্নাতক থেকে শুরু করে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি এবং একই বিষয়ে পিএইচডি তাঁর একাডেমিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতা সংবিধান ও অভিবাসন আইনে গভীর দক্ষতার পরিচয় দেয়।
সংবিধানবিরোধী ট্রাম্পের ঘোষণা
মামলার কেন্দ্রে রয়েছে ট্রাম্পের একটি নির্দেশ, যেখানে বলা হয়েছে যেসব শিশুর বাবা-মা মার্কিন নাগরিক বা গ্রিন কার্ডধারী নন, তাদের স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। এই ঘোষণা দীর্ঘদিনের সাংবিধানিক ব্যাখ্যার বিপরীত, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নিলেই নাগরিকত্ব পাওয়া যায়।
সংবিধানের ভিন্ন ব্যাখ্যা
চতুর্দশ সংশোধনীতে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী এবং তার বিচারব্যবস্থার অধীন সকল ব্যক্তি নাগরিক।” ট্রাম্প প্রশাসন “jurisdiction” শব্দের ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে “allegiance” বা “domicile”-এর মতো ধারণা যুক্ত করার চেষ্টা করছে, যা সংবিধানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ নেই।
স্মিতা ঘোষের যুক্তি (Smita Ghosh)
স্মিতা ঘোষ তাঁর যুক্তিতে ইতিহাস ও পূর্ববর্তী রায়ের ওপর জোর দিয়েছেন। বিশেষ করে ১৮৪৪ সালের Lynch v Clarke এবং পরবর্তীতে Wong Kim Ark মামলার উল্লেখ করে তিনি দেখিয়েছেন, অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত অভিভাবকদের সন্তানদের ক্ষেত্রেও জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব স্বীকৃত।
আরও পড়ুন: Pak Rajnath: পাকিস্তানকে কড়া বার্তা রাজনাথের, কী বললেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী?
প্রশাসনের যুক্তি নিয়ে সংশয় (Smita Ghosh)
সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে বিচারপতিরা প্রশাসনের যুক্তি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন, যা মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। এই মামলার রায় শুধু আইনি নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের মৌলিক ধারণাকেও প্রভাবিত করবে। জুন মাসে সম্ভাব্য রায়ের দিকে এখন নজর সবার।



