Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ১ ফেব্রুয়ারি রাতটি আকাশপ্রেমীদের (Snow Moon) জন্য হতে চলেছে একেবারে বিশেষ। সেদিন রাতের আকাশ জুড়ে দেখা মিলবে ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্ণিমা, যাকে বলা হয় ‘স্নো মুন’। উজ্জ্বল চাঁদের আলোয় আকাশ হয়ে উঠবে অপূর্ব, যা চোখে দেখার মতো এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা এনে দেবে।
প্রাচীন ইতিহাসের শিকড় (Snow Moon)
‘স্নো মুন’ নামটি (Snow Moon) নতুন নয়। এর শিকড় লুকিয়ে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন ইতিহাসে। ১৮ শতকে উত্তর আমেরিকার আদিবাসী সমাজের পর্যবেক্ষণ থেকেই এই নামের উৎপত্তি। ওই সময় ফেব্রুয়ারি মাসে সবচেয়ে বেশি তুষারপাত হত বলে এই পূর্ণিমার নামকরণ করা হয়েছিল ‘তুষার চাঁদ’। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নামটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং আজও তা ব্যবহার করা হয়।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় (Snow Moon)
জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায়, পূর্ণিমা তখনই (Snow Moon) দেখা যায় যখন চাঁদ পৃথিবীর এক পাশে আর সূর্য ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থান করে। ফলে সূর্যের আলোয় চাঁদের পুরো অংশ আলোকিত হয়ে ওঠে। এই অবস্থাতেই চাঁদ তার সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতায় পৌঁছয়। হিসাব অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে এই স্নো মুন সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল থাকবে।
পূর্ব আকাশের দিকে নজর
এই পূর্ণিমা দেখতে চাইলে সন্ধ্যার পর পূর্ব আকাশের দিকে নজর রাখতে হবে। সূর্যাস্তের কিছুক্ষণের মধ্যেই দিগন্তের উপর উঠতে দেখা যাবে চাঁদকে। এটি কর্কট রাশির আশপাশে অবস্থান করবে। পরিষ্কারভাবে দেখতে হলে শহরের কৃত্রিম আলো ও দূষণ এড়িয়ে খোলা জায়গা বেছে নেওয়াই ভালো।

আরও পড়ুন: Shankar Chakraborty: শুটিংয়ের আগে সাদা পোশাকে শঙ্কর চক্রবর্তীর ফার্স্ট লুক
দিগন্তের কাছে থাকার সময় চাঁদকে অনেক বড় দেখাতে পারে। এটি আসলে একটি দৃষ্টিভ্রম, যাকে বলা হয় ‘মুন ইলিউশন’। কখনও কখনও চাঁদের চারপাশে আলোয় তৈরি বৃত্ত বা হালকা কম্পনের মতো দৃশ্যও চোখে পড়তে পারে, যা বায়ুমণ্ডলের প্রভাবেই ঘটে।


