Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ৮ বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে টেস্ট সিরিজ খেলতে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া, (South Africa vs Australia) আর পা রাখতেই আয়োজকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা! তবে এই অভ্যর্থনায় কোনো ফুল বা মিষ্টি ছিল না, ছিল স্যান্ডপেপার বা শিরীষ কাগজের গুঁড়ো। ২০১৮ সালের সেই কুখ্যাত ‘স্যান্ডপেপারগেট’ কেলেঙ্কারির কথা প্যাট কামিন্স বাহিনীকে মনে করিয়ে দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি দক্ষিণ আফ্রিকার সম্প্রচারকারী চ্যানেল ‘সুপারস্পোর্ট’। প্রথম টেস্টের প্রোমোতেই অজিদের উদ্দেশে যেন মিটিমিটি হেসে তারা বলে দিয়েছে, “আমাদের জুম লেন্স কিন্তু বেশ ধারালো, নজর রাখছি!”
স্যান্ডপেপার নট আউট! (South Africa vs Australia)
পুরনো ক্ষতে শুধু নুন ছিটিয়েই ক্ষান্ত হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকাবাসী, মিম-সংস্কৃতিকে একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। আস্ত একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোর (‘পিক এন পে’) রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে—৩১ অক্টোবর (সিরিজ শেষ হওয়া) পর্যন্ত তাদের দোকান থেকে সমস্ত স্যান্ডপেপার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে! কারণটা খোলসা না করলেও রসিক ক্রিকেটপ্রেমীরা ঠিকই ধরে নিয়েছেন—কখন যে কোন অজি ক্রিকেটার পকেটে করে স্যান্ডপেপার নিয়ে মাঠে ঢুকে পড়ে, সেই ভয়েই হয়তো এই আগাম সাবধানতা!
ক্যামেরার খ্যাপা নজর (South Africa vs Australia)
কেপ টাউনের সেই অভিশপ্ত নিউল্যান্ডস টেস্টের কথা আজও ক্রিকেট ভক্তদের মনে টাটকা। ক্যামেরন ব্যানক্রফটের পকেট থেকে হলুদ রঙের স্যান্ডপেপার বের করার দৃশ্য মাঠের জায়ান্ট স্ক্রিনে ধরা পড়ার পর ধুয়েমুছে গিয়েছিল অজিদের ‘জেন্টলম্যান’ ইমেজ। স্টিভ স্মিথ ও ডেভিড ওয়ার্নারকে এক বছরের জন্য নির্বাসনে যেতে হয়েছিল। এবার তাই প্রোটিয়া সম্প্রচারকারী সংস্থা সাফ জানিয়ে দিয়েছে—মাঠে তাঁদের শত শত চিল-চোখ ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত। মাঠের ভেতরে রিভার্স সুইংয়ের জন্য কোনও ‘সাজসরঞ্জাম’ ব্যবহার করার চেষ্টা করলেই সঙ্গে সঙ্গে ধরা পড়তে হবে!
আরও পড়ুন: Mohammedan SC: মহমেডানের দায়িত্ব নিতে নারাজ ব্রিটিশ কোচ, ‘আরও ভালো কোচ পেয়েছি’, দাবি কর্তাদের
স্মিথ-কামিন্সদের পরীক্ষা (South Africa vs Australia)
তবে দিন বদলেছে। স্মিথ এখন অধিনায়ক নন, বরং ডেপুটি। ড্রেসিংরুমে নেই ডেভিড ওয়ার্নার বা ব্যানক্রফট (South Africa vs Australia)। কিন্তু সেই দলে এখনও রয়েছেন কামিন্স, স্টার্ক, হ্যাজেলউড আর লায়নরা। সিরিজের শেষ ম্যাচটি আবার সেই ঐতিহাসিক নিউল্যান্ডসেই, ২৭ অক্টোবর। তাই স্যান্ডপেপার ট্রোলিং সামলে প্যাট কামিন্স অ্যান্ড কোং কীভাবে মাঠে ব্যাটে-বলে জবাব দেয়, সেটাই এখন দেখার। তবে যা-ই হোক, টেস্টের মহারণ শুরু হওয়ার আগেই প্রোটিয়াদের এই হালকা চালের খোঁচা বেশ জমিয়ে দিয়েছে পুরো পরিবেশ!



