Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োলকে রাজনৈতিক তহবিল সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেছে সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট(South Korea Jail)। সোমবার আদালত তাঁকে আরও দুই বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক রাজনৈতিক মধ্যস্থতাকারীর কাছ থেকে প্রায় ২৭০ মিলিয়ন ওন (প্রায় ১.৮ লক্ষ মার্কিন ডলার) মূল্যের জনমত সমীক্ষা বিনামূল্যে গ্রহণ করার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (South Korea Jail)
আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ইউন মোট ১৪ দফায় বিনামূল্যে জনমত সমীক্ষার সুবিধা নেন। পরে সেই সুবিধার প্রতিদান হিসেবে এক প্রাক্তন সাংসদকে দলীয় মনোনয়ন পাইয়ে দিতে নিজের প্রভাব খাটিয়েছিলেন বলেও আদালত মনে করেছে। যদিও ইউন বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি ওই সমীক্ষা চাননি এবং এর বিনিময়ে কাউকে কোনও প্রতিশ্রুতিও দেননি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউন সুক ইয়োল ইতিমধ্যেই ২০২৫ সালে একটি পৃথক মামলায় আজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। অভিযোগ, ২০২৪ সালে দেশে বিদ্রোহমূলক কর্মকাণ্ডের ষড়যন্ত্রে তিনি মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই মামলার রায়ের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করেছেন।
বর্তমানে ইউনের বিরুদ্ধে অন্তত আটটি মামলা বিচারাধীন। এর মধ্যে গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার সুপ্রিম কোর্ট তাঁকে গ্রেফতারে বাধা দেওয়ার ঘটনায় সাত বছরের কারাদণ্ডের রায়ও বহাল রাখে।
শুধু ইউন নন, তাঁর স্ত্রী ও প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি কিম কিওন হির বিরুদ্ধেও একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা সামনে এসেছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে ইউনিফিকেশন চার্চের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাঁকে ২০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে গত মাসে আরেকটি ঘুষ মামলায় তাঁকে আরও সাত বছরের জেল হয়(South Korea Jail)।
আরও পড়ুন: Citizenship SC: বিদেশি ঘোষণায় ন্যায্য প্রক্রিয়া মানতেই হবে, অসমে ২৭ জনকে স্বস্তি সুপ্রিম কোর্টের
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৪ সালে সামরিক আইন জারির ব্যর্থ উদ্যোগই ইউন সুক ইয়োলের রাজনৈতিক পতনের সূচনা করে(South Korea Jail)। সংসদ সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করে, পরে তাঁকে অভিশংসনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় এবং একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয়।



