Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শুক্রবার রাতে প্রকাশিত হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Result) একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম ধাপের ফলাফল। কিন্তু ফল প্রকাশের পর থেকেই পরীক্ষার্থীদের একাংশ ওয়েবসাইটে লগইন করতে গিয়ে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। রাত থেকেই শুরু হয়েছে অভিযোগের বন্যা, শনিবার সকালেও সেই অবস্থা বহাল। অনেকেই জানিয়েছেন, ওয়েবসাইট খুলতে অস্বাভাবিক সময় লাগছে, কখনও বা একেবারেই রেজাল্ট দেখা যাচ্ছে না।
সার্ভার ধীর (SSC Result)
এসএসসি কর্তৃপক্ষের মতে, একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক (SSC Result) পরীক্ষার্থী ওয়েবসাইটে রেজাল্ট দেখতে চেষ্টা করায় সার্ভার ধীর হয়ে পড়েছে। তারা আশ্বস্ত করেছেন, কিছু সময়ের মধ্যে সমস্যা মিটে যাবে এবং প্রত্যেক পরীক্ষার্থীই নিজের ফলাফল জানতে পারবেন।
৯টা ৩০ মিনিটের পর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল আপলোড (SSC Result)
জানা গেছে, শুক্রবার রাত ৯টা ৩০ মিনিটের পর (SSC Result) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ফলাফল আপলোড করা হয়। ১২,৫১৪টি শূন্যপদের জন্য প্রকাশিত হয়েছে এই ফলাফল, যা একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম পর্ব। পরীক্ষার মাত্র ৫৪ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করায় এসএসসি কর্তৃপক্ষের কার্যক্ষমতা নিয়ে প্রশংসা করেছেন অনেকেই। তবে ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই সার্ভার সমস্যায় খুশির মুহূর্তে যোগ হয়েছে সামান্য বিরক্তি।
প্রাপ্ত নম্বর জানতে পারবেন
এই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মোট ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬০৬ জন প্রার্থী। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে না। পরীক্ষার্থীরা শুধুমাত্র নিজেদের প্রাপ্ত নম্বর জানতে পারবেন। ৬০ নম্বরের মধ্যে কত নম্বর পেয়েছেন, তা দেখা যাবে এসএসসির ওয়েবসাইটে রোল নম্বর ও লগইন আইডি ব্যবহার করে।
সফল প্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৭ নভেম্বর থেকে শুরু হবে সফল প্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। সেই যাচাই শেষ হলেই প্রকাশিত হবে ইন্টারভিউয়ের তালিকা। পাশাপাশি ইঙ্গিত মিলেছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই নবম-দশম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশিত হতে পারে।
আইনি জটিলতার আশঙ্কা
এদিকে, এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে আবারও আইনি জটিলতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে একাধিক চাকরিপ্রার্থী মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে প্রশ্ন তোলা হয়েছে শিক্ষকতার পূর্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দেওয়া অতিরিক্ত নম্বরের যৌক্তিকতা নিয়ে। মামলাকারীদের আইনজীবীর দাবি, এই নম্বর ইন্টারভিউয়ের আগে দেওয়া হবে নাকি মেধাতালিকা তৈরির আগে-তা স্পষ্ট নয়।
এছাড়া, ২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতির ঘটনায় যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা কেন শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আবারও নম্বর পাবেন, সেই প্রশ্নও উঠেছে আদালতে। এই বিষয়ে শুনানির সময় বিচারপতি অমৃতা সিন্হা মন্তব্য করেছেন, নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে এই মামলার রায়ের উপর। আগামী বুধবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে।


