Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে (Sujit Bose) ফের চাঞ্চল্য। ফের সক্রিয় হল ইডি (Enforcement Directorate)। এবার তলব করা হল রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর স্ত্রী ও দুই সন্তানকে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁদের। এই নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক মহল-সব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
ইডি সূত্রের খবর…(Sujit Bose)
ইডি সূত্রের খবর, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত এক বছরে (Sujit Bose) একাধিক দফায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। এই মামলায় ব্যবসায়ী অয়ন শীলসহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। তদন্তের সূত্র ধরে গত বছর অক্টোবরে ইডি আধিকারিকরা হানা দিয়েছিলেন মন্ত্রী সুজিত বসুর লেকটাউনের দুটি বাড়ি এবং তাঁর দফতরে। সেসময় মন্ত্রীর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। ওই অভিযানে উদ্ধার হয়েছিল বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি, যা এখন তদন্তের মূল সূত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন পাওয়া তথ্যের ভিত্তি (Sujit Bose)
তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, নতুন পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই মন্ত্রীর (Sujit Bose) পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ জরুরি হয়ে উঠেছে। তাঁদের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি কেনাবেচা এবং বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের গতিবিধি খতিয়ে দেখছে ইডি। পুর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সঙ্গে অবৈধ অর্থ লেনদেনের যোগসূত্র খুঁজতেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে।
তদন্তের নতুন দিক উন্মোচিত (Sujit Bose)
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি ইডি টানা ১৪ ঘণ্টা ধরে মন্ত্রীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালায়। সেসময় কিছু নথি ও সুজিত বসুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেইসব নথি বিশ্লেষণ করেই তদন্তের নতুন দিক উন্মোচিত হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

১৩টি জায়গায় একযোগে অভিযান
এর আগে, ইডি কলকাতা ও আশপাশের ১৩টি জায়গায় একযোগে অভিযান চালায়, যার মধ্যে ছিল দমকলমন্ত্রীর দফতর ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের অফিস। সেই সময় প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়, তবে টাকার উৎস নিয়ে কোনও সন্তোষজনক ব্যাখ্যা মেলেনি। যদিও ইডি এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট করেনি-এই অর্থের সঙ্গে মন্ত্রীর পরিবারের সরাসরি যোগ আছে কি না।
আরও পড়ুন: Shahid Kapoor: দিল্লি বিস্ফোরণের জের, স্থগিত ‘ককটেইল ২’-এর শুটিং!
অন্যদিকে, মন্ত্রী সুজিত বসু আগেও দাবি করেছিলেন, তদন্তে কোনও ভয় নেই তাঁর। তাঁর বক্তব্য, “ভোটের সময় এলেই এরা সক্রিয় হয়। সব কিছু রাজনীতি করে দেখানোর চেষ্টা চলছে।” তবে ইডির সাম্প্রতিক পদক্ষেপে তাঁর পরিবারের নাম উঠে আসায় ঘটনাটি রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।


