Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কৌশিকী অমাবস্যায় এবার কড়া সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি (Tarapith)। প্রতি বছর এই সময় মন্দিরে ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। এতদিন গর্ভগৃহে ঢুকে বিগ্রহ দর্শনের সুযোগ থাকতো দর্শনার্থীদের। তবে এ বছর থেকে এই নিয়মে বদল আনছে মন্দির কমিটি। মন্দিরের বাইরের বারান্দায় থাকবে মায়ের চরণ। সেখানেই প্রণাম করে মায়ের দর্শন ও পুজো দিতে পারবেন দর্শনার্থীরা।
কেন বদলানো হল নিয়ম? (Tarapith)
শ্রাবনের শেষ সোমবার তারাপীঠের একটি হোটেলে অগ্নিদদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৯ জন পূর্ণ্যার্থীর। এই ঘটনার পরই অবিলম্বে ১৫টি হোটেল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় বীরভূম জেলা প্রশাসন। কৌশিকী অমাবস্যার সময়ে প্রচুর ভক্তের আগমন হয় মন্দির চত্বরে। ভিড় ও নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে তারাপীঠ মন্দির কমিটি।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত (Tarapith)
প্রতিবছর কৌশিকী অমাবস্যায় ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। তবে এ বছর থেকে সেই নিয়মে এসেছে অনেক বড় বদল। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, ভক্তদের ভিড় এবং বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।রামপুরহাটের রক্তকরবী মঞ্চে অমবস্যা উপলক্ষে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন, মন্দির কমিটি, হোটেল মালিক এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিক। বৈঠক শেষে মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল বন্দোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, আমলা কিংবা ভিআইপি-দের জন্য সেই নিয়মের কোনও বদল ঘটবে না বলে জানিয়েছে পুজোকমিটি।
অনলাইন টিকিটের সুবিধা (Tarapith)
পর্যটকদের সুবিধার জন্য তারাপীঠের মন্দির নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা প্রশাসন। আগে তারাপীঠ মন্দিরে বিশেষ লাইনের জন্য টিকিট কাটতে হতো। তবে এই টিকিট এখন কাটা যাবে অনলাইনেই। বিশেষ লাইনের কাউন্টারে সেই টিকিট দেখলেই মা তারাকে দর্শনের সুযোগ পাবেন দর্শনার্থীরা। চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকেই অনলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: EOS05: ব্যর্থতার পর দুরন্ত প্রত্যাবর্তন ইসরোর, মহাকাশে সফল ‘আই অফ দ্য স্কাই’
কেন অনলাইন টিকিটের ব্যবস্থা?
তৃণমূল সরকারের আমলে তারাপীঠ মন্দিরের বিশেষ লাইনের সুবিধা নেওয়ার জন্য দর্শনার্থীদের থেকে নেওয়া হয়েছে ৫০০, কখনও আবার ১০০০, কখনও বা ২০০০ টাকা। তবে নতুন সরকার আসার পর ভাঙা হয় মন্দির কমিটি। এই মন্দির কমিটি থেকে বিশেষ লাইনের জন্য শুধু ৫০০ টাকার কুপন রাখার ব্যবস্থা চালু হয়। মন্দির কমিটির আশা, কুপন ডিজিটালাইজড হওয়াতে কিছুটা হলেও আর্থিক দুর্নীতি কমানো যাবে।



