Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইসলামপন্থী সন্ত্রাসবাদ আর বিচ্ছিন্ন কোনও ঘটনা নয়, এটি এখন সভ্য বিশ্বের বাস্তব ঘটনা। কয়েক মাস অন্তর স্থান বদলায়, আক্রান্তদের পরিচয় বদলায়। কেবল একটি বিষয় অপরিবর্তিত থাকে তা হল আক্রান্তরা এমন এক গোষ্ঠীর মানুষ, যাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই বলে হামলাকারীরা বিশ্বাস করে (Terrorism)।
হামলাই হামলার পথ তৈরি করে (Terrorism)
প্রতিটি হামলা পরবর্তী হামলার পথ তৈরি করে। পহলগাঁওয়ের পর যদি বিশ্ব ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ়ভাবে ব্যবস্থা নিত, দিল্লি হয়তো ঘটত না; দিল্লির পর যথাযথ জবাব এলে বন্ডাইও নাও ঘটতে পারত। কিন্তু পশ্চিমী বিশ্ব সন্ত্রাসবাদকে এখনও খণ্ড খণ্ডভাবে দেখে আর এই বিভ্রান্তির মূল্য দিতে হচ্ছে নিরপরাধ মানুষকে।
ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনা বেড়েছে (Terrorism)
বন্ডি হামলা তিনটি গভীর বিষয় সামনে এনেছে। প্রথমত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইজরায়েল হামলার পর থেকে বিশ্বজুড়ে ইহুদিবিদ্বেষ ভয়াবহভাবে বেড়েছে। বিশ্ব জায়োনিস্ট অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে ইহুদিবিদ্বেষের ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে ৩৪০ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ায় বৃদ্ধির হার নজিরবিহীন।
ইসলামপন্থী মতাদর্শের প্রকৃতি স্বীকারে অনিচ্ছুক (Terrorism)
দ্বিতীয়ত, বহু পশ্চিমী সরকার ও প্রভাবশালী মিডিয়া ইসলামপন্থী মতাদর্শের প্রকৃতি স্বীকার করতে অনিচ্ছুক। বন্ডি হামলার পর সরকারি বিবৃতিতে ‘দৃশ্য’ শব্দ ব্যবহার করে প্রেক্ষাপট আড়াল করা হয়েছে। দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে অস্ত্র আইন।
সন্ত্রাস ও পাকিস্তানের ভূমিকা
তৃতীয়ত, পাকিস্তানের ভূমিকা এড়িয়ে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা সম্ভব নয়। অন্য দেশে সন্ত্রাস রাষ্ট্রের জন্য সমস্যা; পাকিস্তানে তা রাষ্ট্রনীতির অংশ। ইতিহাস বিকৃতি, ধর্মীয় রাজনীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ এবং ধারাবাহিক নেতৃত্বের দ্বিচারিতা দেশটিকে ‘টেররিস্তান’-এ পরিণত করেছে।
বন্ডি একটি সতর্কবার্তা (Terrorism)
বন্ডি শুধু একটি ট্র্যাজেডি নয়, একটি সতর্কবার্তা। যা আসলে বুঝিয়ে দেয় মতাদর্শকে আড়াল করে, ভাষা নরম করে এবং নির্বাচিত ক্ষোভে ডুবে থাকলে বিশ্ব বারবার একই রক্তাক্ত পাঠ শিখতেই থাকবে।



