Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশজুড়ে সমন্বিত জঙ্গি দমন (Terrorists Arrest) অভিযানে বড় সাফল্য পেল Andhra Pradesh Police। নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ১২ জন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন Al-Qaeda এবং ISIS-এর ঘনিষ্ঠ যোগসূত্র রয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
পুলিশ সূত্রে খবর (Terrorists Arrest)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় (Terrorists Arrest) গোয়েন্দা সংস্থার কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আসে, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা একটি সংগঠিত জঙ্গি চক্রের সক্রিয়তার ইঙ্গিত মেলে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই তৎপর হয় Andhra Pradesh Police এবং গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ, Bihar, Delhi, Maharashtra, Karnataka, Rajasthan এবং Telangana-সহ একাধিক রাজ্যে একযোগে অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করা হয় এবং দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে তিন জন Andhra Pradesh-এর বাসিন্দা। তাদের বাড়ি Vijayawada বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই তিনজনই চক্রটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং বিভিন্ন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় রক্ষার কাজ করত।

সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার (Terrorists Arrest)
পুলিশের অভিযোগ, ধৃতরা সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার (Terrorists Arrest) করে যুব সমাজের মধ্যে চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়িয়ে দিচ্ছিল। এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ এবং গোপন গ্রুপের মাধ্যমে তারা যোগাযোগ বজায় রাখত এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা চালাত। এছাড়াও, Mir Asif Ali নামে পশ্চিমবঙ্গের এক ব্যক্তির সঙ্গে এই চক্রের যোগাযোগ ছিল বলে দাবি পুলিশের। ওই ব্যক্তির ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
প্রাথমিক তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন আগামী এক মাসের মধ্যেই Pakistan যাওয়ার পরিকল্পনা করছিল। শুধু তাই নয়, Afghanistan-এ গিয়ে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেওয়ার জন্য অন্যান্য যুবকদেরও প্রভাবিত করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রটি শুধু মতাদর্শ প্রচারেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং ভবিষ্যতে বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলছে। দেশের নিরাপত্তার সঙ্গে কোনও রকম আপস করা হবে না।” পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজ চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের আর্থিক লেনদেন, বিদেশি যোগাযোগ এবং অনলাইন কার্যকলাপও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


