Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: তামিলনাড়ুর করুরে ভয়াবহ (Thalapaty Vijay) পদপিষ্টের ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই তামিল চলচ্চিত্র জগতের জনপ্রিয় অভিনেতা এবং সদ্য রাজনীতিতে পা রাখা থলপতি বিজয়ের চেন্নাইয়ের ইস্ট কোস্ট রোডের বাসভবনে সোমবার সকালে বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
বাড়িটি উড়িয়ে দেওয়া হবে (Thalapaty Vijay)
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার সকালে একটি অজ্ঞাত সূত্র থেকে (Thalapaty Vijay) খবর আসে যে, বিজয়ের নীলাঙ্কারাইয়ের বাড়িতে বিস্ফোরক রাখা আছে। সেই সঙ্গে আসে হুমকি, বাড়িটি উড়িয়ে দেওয়া হবে। খবর পাওয়া মাত্রই তৎপর হয় চেন্নাই পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গেই বাড়ির চারপাশ ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশবাহিনী, ডাকা হয় বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডকে। সুরক্ষা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয় গোটা এলাকা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলে তল্লাশি অভিযান, যদিও শেষ পর্যন্ত কোনও বিস্ফোরক মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
রাতারাতি করুর ছেড়ে চেন্নাই ফিরে আসেন বিজয় (Thalapaty Vijay)
উল্লেখ্য, গত শনিবার করুরে বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা (Thalapaty Vijay) ভেট্রি কাজগম (টিভিকে)-এর এক কর্মিসভায় ভয়াবহ পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত্যু হয় অন্তত ৪১ জনের, যার মধ্যে ১০ জন শিশু। আহত হন শতাধিক। এরপর থেকেই বিজয় ও তাঁর দল রাজনৈতিক এবং জনরোষের মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাতারাতি করুর ছেড়ে চেন্নাই ফিরে আসেন বিজয়। এই আচমকা চলে যাওয়াকেই অনেকেই নেতিবাচকভাবে দেখেছেন, যার ফলে জন-আক্রোশের আশঙ্কায় বিজয়ের বাড়ির নিরাপত্তা আগেই জোরদার করা হয়েছিল। সেই নিরাপত্তার মধ্যেই হঠাৎ এই বোমাতঙ্ক নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।
বিজয় মানসিকভাবে প্রচণ্ডভাবে ভেঙে পড়েছেন
টিভিকে সূত্রে জানা গিয়েছে, করুরের ঘটনায় বিজয় মানসিকভাবে প্রচণ্ডভাবে ভেঙে পড়েছেন। এমনকি ঘটনার পর থেকে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। দলীয় সূত্রে আরও দাবি, বিজয় ও টিভিকে নেতারা আহতদের দেখতে করুরের সরকারি হাসপাতালে যেতে চেয়েছিলেন, মৃতদের পরিবারদের সঙ্গেও দেখা করার পরিকল্পনা ছিল। তবে স্থানীয় প্রশাসন সেই সফরের অনুমতি দেয়নি, কারণ তাঁদের আশঙ্কা, নেতার উপস্থিতিতে জনসমাগম আরও বেড়ে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে।

আরও পড়ুন: Stock Market: অক্টোবর মাসে একাধিক দিন বন্ধ থাকতে চলেছে স্টক মার্কেট
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
টিভিকে ইতিমধ্যেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তারা চায় সিবিআই অথবা আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হোক। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কাছেও অভিযোগ জমা পড়েছে।


